সংবাদ শিরোনাম
দিরাইয়ের উদির হাওর বিলে বাধঁ দেয়া নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত,৪০ জন আহত  » «   রাষ্ট্র ধর্ম নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন সাঈদ খোকন  » «   শান্তিগঞ্জে জয়কলস গ্রামে প্রতিপক্ষের রামদার কোপে একজন নিহত,একজন আহত  » «   পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এই বছরের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বাতিল  » «   সিলেটে দুই কেন্দ্রে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৮ হাজার শিক্ষার্থী  » «   সিলেটে আজ মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা  » «   জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন স্ট্রং ক্লাইমেট ফাইটার- পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি  » «   অনুসন্ধান কল্যান সোসাইটি সিলেট এর সভা অনুষ্টিত  » «   কুমিল্লার ঘটনায় জকিগঞ্জে পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার সংঘর্ষ:পুলিশসহ অন্তত অর্ধশত আহত  » «   তৃতীয় ধাপে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কায় তিন মোটর সাইকেল আরোহী নিহত  » «   নগরীর বনকলাপাড়া এলাকায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক তরুনের আত্মহত্যা  » «   শারদীয় দুর্গাপূজায় সিলেট বিভাগীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা  » «   সিলেট নগরীতে ছাত্রলীগের কমিটি প্রত্যাখান করে বিক্ষোভ মিছিল  » «   দীর্ঘ অপেক্ষার পর কমিটি পেল সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ  » «  

রানীগঞ্জ সেতুর জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকরা ক্ষতিপূরণের টাকা প্রাপ্তিতে হয়রানির শিকার

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নে কুশিয়ারা নদীতে ১৪১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন
সেতুর জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকরা সাড়ে ৩ বছরেও সরকারের ক্ষতিপূরণের প্রাপ্য টাকা পাননি।

এ ব্যাপারে গত ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার সিলেট বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে স্থানীয় আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী ভূমি মালিক শাহীন তালুকদার ও জাহাঙ্গীর আলম টাকা না পেয়ে হয়রানির প্রতিকার চেয়ে দু’টি পৃথক আবেদন করেন। আবেদন সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি হুকুম দখল
মামলা নং ০৪/২০১৫-২০১৬ ইং এর ক্ষমতাবলে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সেতু নির্মানের জন্য অন্যান্য ভূমিসহ শাহীন তালুকদারের ০.৪৫৭৫ একর ও জাহাঙ্গীর আলমের ০.৪৬৬০ একর ভূমি অধিগ্রহণ করেন এবং ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরণের টাকা গ্রহনের জন্য আবেদন করতে নোটিশ প্রদান করেন।

যার প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি শাহীন তালুকদার এবং ওই বছরের ৩ এপ্রিল জাহাঙ্গীর আলম প্রয়োজনীয় দালিলিক কাগজপত্র দাখিলপূর্বক ক্ষতিপূরণের টাকার জন্য আবেদন করেন। পরে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর শাহীন ও জাহাঙ্গীর চাহিত কাগজপত্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সুনামগঞ্জে দাখিল করেন।

শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগী ভূমি মালিকগণ ক্ষতিপূরণের টাকা না পেয়ে শারিরিক, মানষিক ও সুনামগঞ্জে আসা যাওয়ার যাতায়াত খরচ বাবত আর্থিক ক্ষতিসাধন উল্লেখপূর্বক সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের নিকট প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জের ভূমি হুকুম দখল শাখার সার্ভেয়ার আজমল হোসেন ১% উ স কর কর্তনপূর্বক শাহীন তালুকদারের নামে ০.১৭ একর ও জাহাঙ্গীর
আলমের নামে ০.৪৬৬০ একর ভূমির দেড় গুন হারে ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করা যেতে পারে মর্মে এল.এ শাখায় প্রতিবেদন দাখিল করেন।

পরে ওই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ভূমি হুকুম দখল শাখা হইতে সুনামগঞ্জ সদর রেকর্ড রুমের ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সাব-রেস্ট্রিার জগন্নাথপুর বরাবরে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়। যা যথাসময়ে সকল কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই প্রতিবেদন সঠিক মর্মে ভূমি হুকুম দখল শাখায় ই- নথি ও হার্ডকপিতে পৌঁছায়।

পরবর্তীতে আবার ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর সার্ভেয়ার আজমল হোসেন পূণরায় ৩% উ স কর
কর্তনপূর্বক টাকা প্রদান করা যেতে পারে মর্মে আরেকটি প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এরপরও টাকা না পেয়ে আবেদনকারীগণ গেল বছরের ৪ নভেম্বর জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জ বরাবরে হয়রানির অভিযোগ উত্তাপন করে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু ক্ষতিপূরণের ফাইলের কোন অগ্রগতি না দেখে পুনরায় চলতি বছরের ৩১ মার্চ আবার জেলা প্রশাসক বরাবরে শাহীন তালুকদার স্বত্ব প্রমানে ১২ টি পয়েন্ট ও জাহাঙ্গীর আলম ৯ টি পয়েন্ট উল্লেখপূর্বক হয়রানির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু প্রতিকারতো দূরের কথা উক্ত আবেদনটি ফাইলে নোটই দেওয়া হয়নি।

আবেদন সুত্রে আরো জানা যায়, ভুক্তভোগী শাহীন তালুকদার ও জাহাঙ্গীর আলম বর্তমান ও পূর্বতন
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাগণের সাথে দফায় দফায় দেখা করে মৌখিক শুনানি করেছেন, তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। কিন্তু কোন প্রতিকার পাননি। ফাইলে উপস্থাপন করুন, পুণ উপস্থাপন করুন, প্রতিবেদন দিন, পূণ-প্রতিবেদন দিন, মতামত দিন, পূণ মতামত দিন, যাচাই করুন, পূণ যাচাই করুন, এই ধরনের নোট দিয়ে ফাইলটি সাড়ে ৩ বছর যাবত অগ্রবর্তী ও
নিন্মবর্তী করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগী শাহীন তালুকদার ও জাহাঙ্গীর আলম এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমাদের জমি নিস্কন্ঠক, সকল
কাগজপত্র আইনানুগভাবে সঠিক ও যথার্থ। অহেতুক ফাইলটি আটকে রেখে আমাদেরকে হয়রানি ও টাকা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.