সংবাদ শিরোনাম
নগরীর ঘাষিটুলা কলাপাড়া এলাকায় মা-ছেলের মৃত্যু  » «   দিরাইয়ের উদির হাওর বিলে বাধঁ দেয়া নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত,৪০ জন আহত  » «   রাষ্ট্র ধর্ম নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন সাঈদ খোকন  » «   শান্তিগঞ্জে জয়কলস গ্রামে প্রতিপক্ষের রামদার কোপে একজন নিহত,একজন আহত  » «   পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এই বছরের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বাতিল  » «   সিলেটে দুই কেন্দ্রে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৮ হাজার শিক্ষার্থী  » «   সিলেটে আজ মনোনয়নপত্র দাখিল করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা  » «   জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন স্ট্রং ক্লাইমেট ফাইটার- পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি  » «   অনুসন্ধান কল্যান সোসাইটি সিলেট এর সভা অনুষ্টিত  » «   কুমিল্লার ঘটনায় জকিগঞ্জে পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার সংঘর্ষ:পুলিশসহ অন্তত অর্ধশত আহত  » «   তৃতীয় ধাপে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কায় তিন মোটর সাইকেল আরোহী নিহত  » «   নগরীর বনকলাপাড়া এলাকায় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে এক তরুনের আত্মহত্যা  » «   শারদীয় দুর্গাপূজায় সিলেট বিভাগীয় অনলাইন প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা  » «   সিলেট নগরীতে ছাত্রলীগের কমিটি প্রত্যাখান করে বিক্ষোভ মিছিল  » «  

আদালতের নির্দেশে সুনামগঞ্জে ৭০ শিশু অভিযুক্তকে কারাগারে না পাঠিয়ে পিতামাতার জিম্মায়

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::আদালতের নির্দেশে ‘কারাগারে না পাঠিয়ে ফুলের সুগন্ধ বিলিয়ে’ ৭০ জন অভিযুক্ত শিশুকে
সংশোধনের জন্য বাবা-মায়ের জিম্মায় দিয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সুনামগঞ্জের শিশু আদালতের বিচারক। লঘু অপরাধে ৫০ টি মামলায় ৭০ জন শিশুকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে বাবা- মা’র জিম্মায় দিলেন এই বিচারক।

বুধবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন লঘু অপরাধে ৫০ টি মামলায় ৭০ জন শিশুকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে বাবা-মা’র জিম্মায় দেন এই বিচারক। প্রতিদিন ০২টি ভাল কাজ করা এবং তা তাদেরকে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডায়রীতে লিখে রাখা ও বছর শেষে ডায়রী আদালতে জমা দেওয়া, বাবা-মাসহ গুরুজনদের আদেশ নির্দেশ মেনে চলা এবং বাবা মায়ের সেবা যত্ন করা ও কাজে কর্মে তাদের সাহায্য করা, নিয়মিত ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা এবং ধর্মকর্ম পালন করা, অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করা, মাদক থেকে দূরে থাকা, ভবিষ্যতে কোন
অপরাধের সাথে নিজেকে না জড়ানো শর্তে এসব মামলা নিষ্পত্তি করে দেয়া হয়। এসব শর্ত পালন হচ্ছে কিনা তা আগামী এক বছর একজন প্রবেশন কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর আদালতকে অবহিত করবেন। আর এসব রায়ে খুশি ও সন্তুষ্টি জানান
অভিভাবকরাও

এ ব্যাপারে শিশু আদালত এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হাসান মাহবুব সাদী জানান, আদালতের এমন উদ্যোগ পরিবারের সান্নিধ্যে এসব কোমলমতি শিশুরা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠবে এবং সুন্দর জীবন গঠনের সুযোগ পাবে।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.