সংবাদ শিরোনাম
দোয়ারাবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৬  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ১  » «   দেশে আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার ছিলেন শহীদ শেখ কামাল: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   দক্ষিণ সুরমায় মেয়েকে ফিরে পেতে এক পিতার আকুতি  » «   বানারীপাড়ায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দূর্দান্ত প্রতারক রঞ্জন গ্রেফতার  » «   দক্ষিন সুরমার সুলতানপুর-গহরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ৩  » «   সাংবাদিক অজয় পালের প্রতিকৃতিতে সিলেটের সর্বস্থরের নাগরিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’ শেরপুরে হাজারো মানুষের ঢল  » «   দক্ষিণ সুমরার বাইপাস এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত  » «   আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে গড়ে উঠছে: মন্ত্রী ইমরান  » «   আওয়ামীলীগের বিদায় নিশ্চিত করে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা করতে হবে :কাইয়ুম চৌধুরী  » «   অবকাঠামো উন্নয়ন এর মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে-প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ  » «   ছাতকে অধ্যক্ষ অপসারণের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রলীগ  » «   দোয়ারাবাজারে বিজিবি’র অভিযানে চৌদ্দ লক্ষ টাকা উদ্ধার  » «   দোয়ারাবাজারে চিলাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন! ২টিড্রেজার মেশিনসহ বালু জব্দ  » «  

আ.লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব সংকটে সিলেট

77সিলেটপোস্ট রিপোর্ট :আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে একসময় সিলেটের নেতাদের ছিল দাপুটে অবস্থান। সিলেটকে নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতেও তাদের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। কিন্তু অতীতের সে অবস্থান এখন আর নেই বর্ষিয়ান নেতাদের মৃত্যুবরণ, বিতর্কিত কর্মকান্ডে কোনঠাসা হয়ে পড়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের বিকাশ না ঘটায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সিলেটের প্রভাব কমে গেছে। সিলেটের যেসব নেতা বর্তমানে কেন্দ্রের রাজনীেিত সম্পৃক্তত রয়েছেন তারা দলপ্রেম, নেতৃত্বের দক্ষতা ও জনস্পৃক্ততার অভাবে জাতীয় পর্যায়ে তাদের অবস্থান তৈরি করতে পারছেন না বলে মনেকরেন স্থানীয় নেতারা।অতীতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দাপটের সাথে সিলেটের যেসব নেতা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন দেশের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুস সামাদ আজাদ, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া, সাবেক মন্ত্রী ফরিদ গাজী, রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এবং সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডাকসুর ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।এদের মধ্যে আবদুস সামাদ আজাদ, হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, শাহ এএমএস কিবরিয়া ও ফরিদ গাজী জীবদ্দশায় দল ও সরকারে যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সিলেট আওয়ামী লীগকে দিকনির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতেও তাদের ভূমিকা ছিল উজ্জ্বল। তাদের দাপটের কাছে কেন্দ্রের অনেক নেতাই ছিলেন কোনঠাসা।অন্যদিকে, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর এপিএসের অর্থ কেলেংকারিতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই কেলেংকারিতে মন্ত্রীত্বও হারান তিনি। একসময় সিলেট আওয়ামী লীগের বৃহৎ একটি বলয় সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত নিয়ন্ত্রণ করলেও বিতর্কে জড়িয়ে যাওয়ার পর তার বলয়ও দুর্বল হয়ে পড়ে।ওয়ান ইলেভেনের সময় সংস্কারপন্থী তকমা গায়ে লাগে একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা সুলতান মনসুরের গায়ে। ওয়ান ইলেভেনের সেই অভিশাপমুক্ত হতে পারেননি তিনি। এই অভিযোগে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদও হারান তিনি। বিগত দুই নির্বাচনে দল থেকেও মনোনয়ন পাননি তিনি।বর্তমানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ও মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। এর মধ্যে মুহিত দলের উপদেষ্ঠামন্ডলীর সদস্য, নাহিদ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও মিসবাহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক।বয়সের ভারে অনেকটা ন্যূজ হয়ে পড়া অর্থমন্ত্রীর পক্ষে দলকে সময় দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ের কাজে ব্যস্ত শিক্ষামন্ত্রীও সিলেটের রাজনীতিতে খুব একটা মনযোগী নয়।অন্যদিকে মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ জেলা জজ কোর্টের পিপির দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগের দুই টার্মের এই সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেট বিভাগে আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দলীয় অনৈক্য দূর করতে ছুটে যাচ্ছেন জেলা থেকে উপজেলা পর্যন্ত।কেন্দ্রে সিলেটের নেতৃত্ব সংকট কাটাতে দলের বেশিরভাগ নেতাকর্মীরা চান নতুন মুখ। আগামী সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত কমিটিতে সিলেটের আরো অধিক সংখ্যক নেতৃত্ব আশা করছেন তারা।নতুন নেতৃত্বের মধ্যে নেতাকর্মীদের পছন্দের মধ্যে রয়েছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী।এ দুই নেতা নিজেদের ইউনিটের বাইরেও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে তৎপর রয়েছেন। গত ৫ জানুয়ারি পরবর্তী সহিংসতার সময় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন কামরান ও শফিক। দল ও নেতাকর্মীদের দু:সময়ে পাশে থাকায় তারা তৃণমূলের আস্থা অর্জন করতেও সক্ষম হয়েছেন।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.