সংবাদ শিরোনাম
দোয়ারাবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৬  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ১  » «   দেশে আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার ছিলেন শহীদ শেখ কামাল: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   দক্ষিণ সুরমায় মেয়েকে ফিরে পেতে এক পিতার আকুতি  » «   বানারীপাড়ায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দূর্দান্ত প্রতারক রঞ্জন গ্রেফতার  » «   দক্ষিন সুরমার সুলতানপুর-গহরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ৩  » «   সাংবাদিক অজয় পালের প্রতিকৃতিতে সিলেটের সর্বস্থরের নাগরিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’ শেরপুরে হাজারো মানুষের ঢল  » «   দক্ষিণ সুমরার বাইপাস এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত  » «   আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে গড়ে উঠছে: মন্ত্রী ইমরান  » «   আওয়ামীলীগের বিদায় নিশ্চিত করে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা করতে হবে :কাইয়ুম চৌধুরী  » «   অবকাঠামো উন্নয়ন এর মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে-প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ  » «   ছাতকে অধ্যক্ষ অপসারণের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রলীগ  » «   দোয়ারাবাজারে বিজিবি’র অভিযানে চৌদ্দ লক্ষ টাকা উদ্ধার  » «   দোয়ারাবাজারে চিলাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন! ২টিড্রেজার মেশিনসহ বালু জব্দ  » «  

কুটির শিল্পে ঘুরছে তাঁদের ভাগ্যের চাকা

3সিলেটপোস্ট রিপোর্ট :কুটির শিল্পের গ্রাম হিসেবে পরিচিত সিলেটের বিশ্বনাথের রাজাপুর। উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এ পেশায় জড়িত। বাঁশ ও বেত দিয়ে কুঠির শিল্প সামগ্রী তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এ গ্রামের শতশত মানুষ। বিলুপ্তির পথে উপজেলায় কুটির শিল্প। কিন্তু প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্প ধরে রেখেছেন ওই গ্রামবাসী।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার রাজাপুর গ্রামের বাড়ির উঠোনে উঠোনে চলছে কুঠির শিল্প তৈরির কাজ। কেউ কাটছেন বাঁশ। কেউবা তুলছেন ফালি। পরিবারের অন্যরা দল বেধেঁ বসে তৈরি করছেন কুঠির শিল্প সামগ্রী। বসে নেই নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশুরাও। সবাই নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। লেখা-পড়ার পাশাপাশি স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও এ কাজে ব্যস্ত সময় কাটায়। সপ্তাহব্যাপী শিল্প সামগ্রী তৈরির পর ঘরে বসেই পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে সেগুলো বিক্রি করা হয়। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে সিলেটের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হয় রাজাপুরের কুঠির শিল্প সামগ্রী।বংশ পরম্পরায় এ পেশায় জড়িয়ে আছেন রাজাপুর গ্রামবাসী। তারা সারাদিন উৎসবের আমেজে নারী-পুরুষ তাদের নিপুঁন হাতে তৈরি করেন কূলা, ঢাকনা, টুকরি, চাঙ্গা, মাছধরা ও রাখার সরঞ্জামসহ আরো অনেক তৈজসপত্র।গ্রামের সবর উল্লাহ (৬৫) বলেন, ছোটবেলা পিতার কাছ থেকেই এ কাজ শিখি। এই কাজ করেই আমাদের সংসার চলতো। আমাদের পূর্ব পুরুষরাও এ কাজ করতেন।গ্রামের আবদুর রহিম ও সমুজ আলী বলেন, কুঠির শিল্পে খরচ বৃদ্ধির তুলনায় জিনিসের মূল্য সে অনুপাতে পাওয়া যায়না। এখন জীবিকার তাগিদে পাশাপাশি অন্যকাজ করতে হয় আমাদের। কেবল পারিবারিক পেশা হিসেবে কুঠির শিল্পকে আঁকরে ধরে আছি।সরকারি সহায়তা পেলে এই শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটানো সম্ভব বলে তারা মনে করেন। আশা কথা হচ্ছে, এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেন, কুঠির শিল্প প্রসারে সরকারি সহযোগীতা অব্যাহত আছে। পর্যায়ক্রমে সকলের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। চাইলে কৃষি ব্যাংক থেকে তারা ঋণও নিতে পারবেন।সোনালি অতীত আধুনিকতায় আবার ফিরে আসুক। জিইয়ে থাকুক আমাদের জীবন যাত্রার সঙ্গে যুগ যুগ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.