সংবাদ শিরোনাম
মাস খানেক পরই বিদ্যুৎ ঘাটতিসহ সবকিছুই ঠিক হয়ে যাবে-পরিকল্পনা মন্ত্রী মান্নান  » «   ওসমানীনগরে পরিমাপে পেট্রোল কম দেয়ায় সুপ্রীম ও আবীর ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা  » «   জগন্নাথপুরে এক কৃষক হত্যা মামলায় ১ জনের আমৃত্যু ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে মা-মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ  » «   জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্বান্ত-বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল  » «   দেশের সংকট নিরসনের জন্য আওয়ামীলীগকে বিতাড়িত করার বিকল্প নেই :খন্দকার মুক্তাদির  » «   চুনারুঘাটে ছেলের হাতে মা খুন,ছেলে আটক  » «   জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   দোয়ারাবাজারে ভারতীয় মালামালসহ আটক ২   » «   ওসমানীনগর থানার ওসি অথর্ব ও দুর্নীতিবাজ-মোকাব্বির খান এমপি  » «   ভোলায় পুলিশী ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল  » «   সিলেটে ঘুষ ছাড়া সহজে কারো পাসপোর্ট হয়না: ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠি  » «   সুনামগঞ্জে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা  » «   জামালগঞ্জে জামায়াতের আমীর দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র জিহাদি বইসহ ২জন আটক-মামলা  » «   সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু  » «  

ওসমানীনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছকাটা ও ভূমি জালিয়াতির অভিযোগ

10সিলেটপোস্ট রিপোর্ট :সরকারের অনুমতি ব্যতিত সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ৬১নং খাস দরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার সাথে অভিযোগ রয়েছে, দলিল জালিয়াতি করে স্কুলের ভূমি অন্যের নামে রেজিষ্টার করার। এব্যাপারে এলাকাবাসী সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি তদন্ত করতে গতকাল মঙ্গলবার ওসমানীনগর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন।

অভিযোগে জানা যায়, গত অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখ খাস দরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের রঙ্গিয়া গ্রামের মৃত হারিছ মিয়ার পুত্র আমিনুল ইসলাম (উস্তার) সহ অজ্ঞাত কিছু দিন মজুর খাস দরগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫/১৬টি গাছের ডাল কাটেন। ডালের গোল মাফ ৩/৪ফুট এবং লম্বা ১০/১৫ফুট। এই ডালপালা ৩৫ হাজার টাকা বিক্রি করেন। গাছের অন্যান্য ডালপালা নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। এ বিষয়ে এলাকাবাসী উস্তার মিয়াকে গাছ কাটার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শিক্ষা অফিসের অনুমতি নিয়ে কাটা হচ্ছে। এলাকাবাসী শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ বিষয়ে কোন প্রকার অনুমতি দেয়া হয়নি। অভিযুক্ত ব্যাক্তি আমিনুল ইসলাম (উস্তার) কে বালাগঞ্জ উপজেলার কর্তৃক অভিযোগ নং৪১১/৯৭ এর ভিত্তিতে ১৯৯৭ সনের জুন মাসের ৩০ তারিখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিদ্যালয়ের কমিটি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
এব্যাপারে এলাকাবাসী গত অক্টোবর মাসের ২৭তারিখ সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ নং ৫১।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ২০০২-২০০৩ সালে বুদ্ধি পতিবন্ধি ময়না মিয়ার কাছ থেকে টাকা নিয়ে অন্য দলিলের দাগ অভার রাইটং করে স্কুলের জায়গার মালিক বানিয়ে দেয়া দেন। ময়না মিয়ার মৃত্যুর পর স্কুলের ঐ ভূমি তার ছেলেরা চাচাতো ভাইদের দানপত্র করে মালিক বানিয়ে দেয়। যে দুই দাগের ভূমি বিক্রি করা হয় তা হচ্ছে, ১৬৩ নম্বার দলিলে জায়গা জেল নং ১০৩, এস,এ খতিয়ান-২২৩, দাগ নং ১৮৮৫, ১৮৮৬, বিএস খতিয়ান ১৩২৯, দাগ নং২৩৪৭। বিষয়টি তদন্ত করতে গতকাল মঙ্গলবার ওসমানীনগর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন।
এব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল হাফিজ সোহেল বলেন, আমিনুল ইসলাম (উস্তার) মিয়া সরকারের অনুমতি ব্যতিত স্কুলের গাছের ডালপালা কাটেন। কাটার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে জানান, সরকারের অনুমতি আছে। যা সত্য নয়। অন্য দিকে আমাদের বাবা ও চাচাদের স্কুলে দান করা ভূমি দলিল জালিয়াতি করে অন্যকে মালিক বানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েছি। যাতে ষড়যন্ত্রকারীদের হাত থেকে স্কুল কে রক্ষা করা হয়।
অভিযোগের সতত্য স্বীকার করে ওসমানীনগর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা সৌরভ পাল মিঠু বলেন, আমি ঘটনাস্থ পরিদর্শন করেছি। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.