সংবাদ শিরোনাম
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হামলা ও লুটপাঠের ঘটনায় দাঙ্গাবাজ কনর মিয়া ও কবির মিয়ার ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড  » «   ওসমানীনগরে হামলা চালিয়ে প্রবাসীর বসতঘর দখলের অভিযোগ  » «   দোয়ারাবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৬  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ১  » «   দেশে আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার ছিলেন শহীদ শেখ কামাল: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   দক্ষিণ সুরমায় মেয়েকে ফিরে পেতে এক পিতার আকুতি  » «   বানারীপাড়ায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দূর্দান্ত প্রতারক রঞ্জন গ্রেফতার  » «   দক্ষিন সুরমার সুলতানপুর-গহরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ৩  » «   সাংবাদিক অজয় পালের প্রতিকৃতিতে সিলেটের সর্বস্থরের নাগরিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’ শেরপুরে হাজারো মানুষের ঢল  » «   দক্ষিণ সুমরার বাইপাস এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত  » «   আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে গড়ে উঠছে: মন্ত্রী ইমরান  » «   আওয়ামীলীগের বিদায় নিশ্চিত করে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা করতে হবে :কাইয়ুম চৌধুরী  » «   অবকাঠামো উন্নয়ন এর মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে-প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ  » «   ছাতকে অধ্যক্ষ অপসারণের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রলীগ  » «  

নাইজেরিয়ার বামা শহরে অপুষ্টিতে ভুগছে শিশুরা

11সিলেটপোস্ট রিপোর্ট:দীর্ঘ দিনের সহিংসতায় একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নাইজেরিয়ার এই বামা শহর। জঙ্গি সংগঠন বোকো হারাম এক সময় এই শহর নিয়ন্ত্রণ করতো। কিন্তু যুদ্ধের কারণে এখানে কি ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটা ভালোভাবে জানা যাচ্ছে মাত্র কিছুদিন হলও।

মৃত্যুপথযাত্রী এক শিশু ফিরো মোহাম্মদ। ভুগছে ভয়াবহ রকমের অপুষ্টিতে। নাইজেরিয়ায় এরকম আড়াই লাখ শিশুর একজন এই ফিরো।

তার জীবন বাঁচাতে চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন।

মোহাম্মদের মা বলছেন, খাওয়া দাওয়ার জন্যে তাদের কাছে কিছু নেই। খাবার কেনার জন্যে টাকা পয়সাও নেই তাদের। তিনি বলছেন, গ্রামাঞ্চলে শুধু তারাই বেঁচে থাকতে পারছেন যাদের কিছু অর্থ আছে।

যুদ্ধ পরবর্তী মানবিক এই সঙ্কট থেকে বেঁচে যাওয়ার একমাত্র উপায় হচ্ছে সেনাবাহিনীর লোকজন যদি তাদেরকে উদ্ধার করে তাহলেই। যাদের বাড়িঘর নেই, আগুনে পুড়ে গেছে, কিম্বা যারা ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়ে বেঁচেছেন, আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে, দিচ্ছে খাবার দাবারও।

কিন্তু শরণার্থীদের আশ্রয় শিবিরের বাইরে শহরের চেহারাটা একেবারেই অন্য রকমের। রাস্তার পর রাস্তা ধরে গেলে দু’পাশে চোখে পড়বে শুধুই ধ্বংসযজ্ঞ। দেখে মনে হয় বামা শহর যেন একেবারেই স্থবির।

মার্টিন পেশেন্স শহরটি ঘুরে দেখেছেন। শহরের এখানে সেখানে পরে আছে বিধ্বস্ত সব গাড়ি। তিনি বলছেন, বোকো হারাম যেদিন এই শহরে পৌঁছায় সেদিন থেকেই এখানকার জীবন থমকে গেছে। একটি পেট্রোল স্টেশনে গিয়ে তিনি দেখেছেন, সেখানে যতো গাড়ি তেল নিতে গিয়েছিলো সেগুলোর সবই পুড়ে গেছে। তাদের কেউই গাড়ি নিয়ে সেখান থেকে আর পালাতে পারেনি। এই সহিংসতায় মারা গেছে হাজার হাজার মানুষ। এখনও কেউ নিশ্চিত করে জানে না তাদের সংখ্যা কতো।

শুধু এই বামা শহরই না, আরো বহু গ্রাম ও শহরও সহিংসতার কারণে বিপর্যস্ত। আর এতে সবচে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিশুরা। কিন্তু সাহায্য সংস্থাগুলো এখন তাদের মতো শিশুদের বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে। জাতিসংঘের কর্মকর্তা টবি ল্যানজার-

প্রায় ৯০ লাখ মানুষ আছে নাইজেরিয়ায় যাদের খুবই জরুরী ভিত্তিতে মানবিক সাহায্য দরকার। তাদের মধ্যে সাড়ে চার লাখ মানুষের কাছে খাবার দাবা নেই। তারা জীবনের একেবারে শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছে। ঝুলে আছে জীবন ও মৃত্যুর মাঝখানে। ২৫ লাখের মতো মানুষ তাদের গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

আশ্রয় শিবিরে আসার কারণে তারা হয়তো এখন যুদ্ধ থেকে বেঁচে গেছে কিন্তু তাদের ভবিষ্যৎ জীবন যে পুরোপুরি নিরাপদ সেটা বলার সময় এখনও আসেনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.