সংবাদ শিরোনাম
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হামলা ও লুটপাঠের ঘটনায় দাঙ্গাবাজ কনর মিয়া ও কবির মিয়ার ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড  » «   ওসমানীনগরে হামলা চালিয়ে প্রবাসীর বসতঘর দখলের অভিযোগ  » «   দোয়ারাবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৬  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ১  » «   দেশে আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার ছিলেন শহীদ শেখ কামাল: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   দক্ষিণ সুরমায় মেয়েকে ফিরে পেতে এক পিতার আকুতি  » «   বানারীপাড়ায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দূর্দান্ত প্রতারক রঞ্জন গ্রেফতার  » «   দক্ষিন সুরমার সুলতানপুর-গহরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ৩  » «   সাংবাদিক অজয় পালের প্রতিকৃতিতে সিলেটের সর্বস্থরের নাগরিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’ শেরপুরে হাজারো মানুষের ঢল  » «   দক্ষিণ সুমরার বাইপাস এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত  » «   আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে গড়ে উঠছে: মন্ত্রী ইমরান  » «   আওয়ামীলীগের বিদায় নিশ্চিত করে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা করতে হবে :কাইয়ুম চৌধুরী  » «   অবকাঠামো উন্নয়ন এর মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে-প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ  » «   ছাতকে অধ্যক্ষ অপসারণের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রলীগ  » «  

ষাঁড়ের দাম ১৪ লাখ!

12সিলেটপোস্ট রিপোর্ট:কয়েকদিন বাদেই ঈদুল আজহা। এরই মধ্যে জমে উঠেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সমাগমে পশুর হাটটি এখন জমজমাট। ছোট থেকে বড় সাইজের ষাঁড় বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ লাখ টাকায়। এ ছাড়া মোটাতাজাকরণ কোনো প্রকার ইনজেকশন ব্যবহার না করা দেশীয় একটি ষাঁড়ের দাম হাঁকা হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। এই বিশাল আকৃতির কালো রংয়ের ষাঁড়টি একনজর দেখার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত লোক ভিড় করছে। এই ষাঁড়ের মালিকের নাম শাহানুর মিয়া। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বানাইল ইউনিয়নের বানাইল গ্রামে।
কৃষক শাহানুর মিয়া জানান, গরু লালন-পালন তার ছোটবেলার শখ। পারিবারিকভাবে তিনি স্বচ্ছল না হলেও গরুর প্রতি তার আলাদা দরদ রয়েছে। ৫ বছর ধরে তিনি দেশি সিন্ধি জাতের একটি ষাঁড় পালন করে আসছেন। ষাঁড়টিকে তিনি নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করেন। প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি ষাঁড়টি খাবারসহ আদর-যত্ন করেন। ষাঁড়টিকে তিনি সাধারণ খাবার যেমন, বিভিন্ন ধরনের ঘাস, লতাপাতা, খড়, চিনি, গুড়, কলা, বিভিন্ন ধরনের ছোলা, ডাল, খৈল, ভূসি, কিসমিস, আম ও ভাতের মাড় খাওয়ান। তবে ষাঁড়টিকে মোটাতাজাকরণের জন্য কোনো ইনজেকশন দেয়া হয়নি। ষাঁড়টি লালন-পালন করতে গত ৫ বছরে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৯ লাখ টাকা। গত বছর কোরবানির সময় ষাঁড়টি বিক্রির জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। বেপারিরা দাম বলেছিল ৯ লাখ টাকা। তেমন লাভ না হওয়ায় তিনি ষাঁড়টি গত বছর বিক্রি না করে বাড়িতে রেখে দেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি এই ষাঁড়টি ১৪ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চাচ্ছি। এখন পর্যন্ত ষাঁড়টি বিক্রি করতে পারিনি। তবে তাড়াতাড়িই বিক্রি হয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।’
টাঙ্গাইল জেলার অন্যতম বৃহৎ পশুর হাট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক-সংলগ্ন উপজেলার দেওহাটা কোরবানির পশুর হাটে শনিবার গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অসংখ্য গরু বেচাকেনা হচ্ছে।
দেলদুয়ার উপজেলার নাল্লাপাড়া
থেকে আসা গরুর বেপারি ছানোয়ার হোসেন জানান, এ বছর হাটবাজার ও গ্রাম-গঞ্জে গরুর দাম বেশ চড়া। তিনি দেওহাটা পশুর হাটে ৩টি ষাঁড় নিয়ে এসেছিলেন। ৩টি ষাঁড়ে খরচ বাদে তার লাভ হয়েছে প্রায় ২৩ হাজার টাকা।
ভুয়াপুরের গোবিন্দদাসী থেকে আসা বেপারি তাইজুদ্দিন বলেন, ‘আমি ৮টি গরু নিয়ে এসেছি। সবগুলোই বিক্রি হয়েছে। লাভ হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।’
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট সাইজের একটি গরু ৩০-৪০ হাজার টাকা, মাঝারি সাইজের একটি গরু ৫০-৯০ হাজার টাকা এবং বড় সাইজের একটি গরু ১-৩ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া খাসি ছোট সাইজ ৬-৭ হাজার টাকা, মাঝারি সাইজ ৯-১৫ হাজার টাকা এবং বড় সাইজ ২০-৭০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার দেওহাটা পশুর হাটের ইজারাদার কামরুজ্জামান জানান, এই হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক নিরাপত্তা দেয়া হয়। বেপারি ও গৃহস্থদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো চাঁদা নেয়া হয় না। এই হাটে বড় সাইজের একটি কালো ষাঁড় এসেছে। দাম হাঁকা হচ্ছে ১৪ লাখ টাকা। ওই দামে হয়তো ষাঁড়টি বিক্রি নাও হতে পারে।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন জানান, পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং বেপারিদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.