সংবাদ শিরোনাম
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে হামলা ও লুটপাঠের ঘটনায় দাঙ্গাবাজ কনর মিয়া ও কবির মিয়ার ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড  » «   ওসমানীনগরে হামলা চালিয়ে প্রবাসীর বসতঘর দখলের অভিযোগ  » «   দোয়ারাবাজারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৬  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক ১  » «   দেশে আধুনিক ক্রীড়ার রূপকার ছিলেন শহীদ শেখ কামাল: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   দক্ষিণ সুরমায় মেয়েকে ফিরে পেতে এক পিতার আকুতি  » «   বানারীপাড়ায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দূর্দান্ত প্রতারক রঞ্জন গ্রেফতার  » «   দক্ষিন সুরমার সুলতানপুর-গহরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ৩  » «   সাংবাদিক অজয় পালের প্রতিকৃতিতে সিলেটের সর্বস্থরের নাগরিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’ শেরপুরে হাজারো মানুষের ঢল  » «   দক্ষিণ সুমরার বাইপাস এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত  » «   আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে গড়ে উঠছে: মন্ত্রী ইমরান  » «   আওয়ামীলীগের বিদায় নিশ্চিত করে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা করতে হবে :কাইয়ুম চৌধুরী  » «   অবকাঠামো উন্নয়ন এর মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে-প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ  » «   ছাতকে অধ্যক্ষ অপসারণের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রলীগ  » «  

মসলার দাম বাড়ছে খুচরা বাজারে

14সিলেটপোস্ট রিপোর্ট:ঈদুল আজহা সামনে রেখে গরম হয়ে উঠেছে মসলার বাজার। পাইকারিতে সামান্য বাড়লেও খুচরায় দেড় থেকে দুইগুণ দাম বাড়িয়েছেন বিক্রেতারা। প্রতিবারের মতো এবারো ঈদে মসলার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের পকেট কাটছে অতি মুনাফালোভী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। আর হঠাৎ দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা।তবে পাইকারি বাজারে মসলার দাম বাড়েনি দাবি করে পাইকারি মসলা বিক্রেতারা জানান, শুনেছি খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীরা বেশি দামে মসলা বিক্রি করছে। আর এতে দোষ হচ্ছে পাইকারি ব্যবসায়ীদের। ক্রেতারা মনে করছে পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে সরকারে মনিটরিং কমিটি যদি সরেজমিনে মসলার বাজার পরিদর্শন না করে তাহলে তো অসৎ ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করবে। এটাই স্বাভাবিক।ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, মসলার চাহিদা বেশি হয় কুরবানির ঈদে। তবে চাহিদা বাড়লেও দেশের পাইকারি বাজারে মসলার সংকট নেই। ফলে দাম বাড়ার কোনো যুক্তি নেই। বরং আগের চেয়ে মসলার দাম অনেকটা কম বলে জানান তারা। মসলার পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি জিরা ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা, তেজপাতা ১৬০ থেকে ১৭০, দারচিনি ২৫০ থেকে ২৬০, এলাচ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০, কালো গোলমরিচ ৯০০ থেকে ৯২০, জয়ফল ৭০০ থেকে ৭৫০, জৈত্রীক ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০, কিসমিস ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায়, আলু বোখারা ৫৫০ থেকে ৫৮০, কাঠবাদাম ৫৯০ থেকে ৬২০, পোস্তাদানা ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় ও সাদা গোল মরিচ ১ হ্জ্র২৫০ টাকা থেকে ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।তবে  বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি জিরা ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেঁজপাতা ২০০ থেকে ২২০, দারচিনি ৩০০থেকে ৩৫০, লবঙ্গ ১ হাজার ২০০থেকে ১ হাজার ৩০০, এলাচ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০, কালো গোলমরিচ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০, সাদা গোলমরিচ ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০, জয়ফল ৯০০ থেকে ১ হাজার, জৈত্রীক ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০, কিসমিস ৩০০ থেকে ৪৫০ , আলু বোখারা ৬৫০থেকে ৭০০, কাঠবাদাম ৬৫০ থেকে ৭০০ , পোস্তাদানা ৮৫০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৮-৪২ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজ ২৪-৩২ টাকা। প্রকারভেদে কেজি প্রতি দেশি রসুন কেজিপ্রতি ১৭০-১৯০ ও আদা ১০০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর এই বাড়তি বিক্রিতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.