সংবাদ শিরোনাম
ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির সুযোগে হাইকোর্টের রুল  » «   মাধ্যমিকে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল  » «   একজন মানুষ তাঁর কর্মের মাধ্যমে সবার কাছে প্রিয় বা অপ্রিয় হন: চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমদ  » «   পদত্যাগ করলেন মুরাদ হাসান  » «   সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীর অভিযোগ:‘অন্যায়ভাবে আমাদের বাসাবাড়ি ভেঙে দিয়েছেন মেয়র আরিফ’  » «   সুনামগঞ্জের সদরগড়ে দুইপক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে এক সালিশকে পিঠিয়ে হত্যা  » «   জৈন্তাপুরে সিজদারত অবস্থায় এক ইমামের মৃত্যু  » «   সিলেটে আসছে শীত বদলে যাচ্ছে তাপমাত্রা-কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়  » «   কুলাউড়ায় নবনির্বাচিত হাজিপুর ইউপি চেয়ারম্যানের ইন্ধনে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর  » «   সুনামগঞ্জে ছাত্রদলের মিছিলে পুলিশের বাঁধা  » «   ইংল্যান্ডে প্রতি ৬০ জনে একজন কোভিড আক্রান্ত  » «   ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন ও ৯ জনকে কারাদন্ড  » «   দোয়ারাবাজারে কাজ করতে দেরি হওয়ায় দোকান ভাঙচুর, মারধর   » «   সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ করা হয়েছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে  » «   কানাইঘাটের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে শোকের ছায়া-নারী বাবুর্চি সহ দু-জনের লাশ উদ্ধার  » «  

কবিতাই নামিয়ে দেয় বুকের ভার

4চাণক্য বাড়ৈ::পরম স্থিতি বলে কিছু নেই। ঘুমিয়ে পড়ি, তা-ও ছুটন্ত ট্রেনের পেছনে দৌড়াই। বাসের রেলিং ধরে ঝুলি, তা-ও বাল্যবন্ধুর সঙ্গে ঘুরে আসি আড়ং। ক্লাসে কিউবিজম বোঝার ফাঁকে দেখে আসি মাকে- তিনি উঠোনে ধান নাড়ছেন। মনের এই সতত বিচরণশীলতাই আমাকে কবিতার মুখাপেক্ষী করে। কবিতা হলো অসীম ও সার্বভৌম এক ভুবন, যেখানে বিচরণের নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা।

পুঁজিতন্ত্রের এই যুগে প্রথম প্রশ্ন হতে পারে, কবিতার উপযোগিতা কী- কবিতা অর্থকরী না স্বাস্থ্যকর? আমি বলব, কবিতা কৈশোরের ‘বৌ-চিঁ’ খেলার আনন্দের মতো নির্মল। কেননা, খেলাধুলায় রক্তসঞ্চালন বাড়ে। আর তাতে শরীর হয় হয় সুঠাম। পাশাপাশি অন্য কোন উপকরণের প্রয়োজন পড়ে না বলে টাকাও খরচ হয় না- এ কথা জেনে বা বুঝে কিশোররা বৌ-চিঁ খেলে না, তেমনি আমিও প্রতিদান বিবেচনায় এনে কবিতা লিখি না। তবু কবিতাই আমাকে দেয় সবচেয়ে বড় প্রতিদান। কবিতাই নামিয়ে দেয় বুকের ভার; হাল্কা হই। আর তখনই উড়ন্ত চিলের শরীর থেকে খসে পড়া পালকের মতো বিচরণ করতে থাকি আরাধ্য আকাশে।

কী লিখি কবিতায়? মনে করার চেষ্টা করি কলেজ-জীবনের প্রথম দিনটির কথা। সকাল ১০টা থেকে বেলা দুটা পর্যন্ত কতই তো হলো, কিছুই মনে করতে পারি না। এটুকু মনে পড়ে- হঠাৎ সদ্য চেনা এক সতীর্থ এসে বলল, ‘চলো, ছিনেমা দেহি। নতুন অ্যাট্টা ভিলেন আইছে!’ নিত্যদিনের চলায় বলায় এমন কিছু ঘটনা যা মনে দাগ কাটে, তা-ই ভাষা পায় কবিতায়। হ্যাঁ, এমন কিছু থাকে, যা আপাত অর্থে অবাস্তব। তাই তো শুরুতেই মনের ‘বিচরণশীলতা’র কথা বলেছি।

কবিতাকে বিচিত্রগামী করার চেষ্টা করি। মনে করি, নিরীক্ষার প্রয়োজন আছে, আছে প্রপঞ্চের; তবে দুর্বোধ্যতার নয়।

প্রথম কবে কবিতায় আক্রান্ত হয়েছিলাম, তা মনে নেই। অনির্ণীত সেই মাহেন্দ্র-মুহূর্ত থেকে বয়ে বেড়াচ্ছি এই দুরারোগ্য অথচ আরামদায়ক ব্যাধি!

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.