সংবাদ শিরোনাম
ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের মসজিদ ঘিরে ধ্রুমজাল!  » «   ঢাকা- সিলেট মহা সড়কের দক্ষিণ কুর্শা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, পরিবারে চলছে শোকের মাতম  » «   জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক, আহত ৫  » «   মদিনা মার্কেটস্থ কালিবাড়ি রোডে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ী ফয়জুর নিহত  » «   খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে-সিলেটে খাদ্যমন্ত্রী  » «   আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ূব খান কর্তৃক উপকারভোগীদের ২শতাধিক ড্রামের টাকা আত্মসাত,বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের  » «   গোয়াইনঘাটে পাহাড়ী ঢল ও ভারী বর্ষণে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত  » «   সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় পাহাড়ি ঢলের পানিতে ১৬ শত একর পাকা ধান ও বাড়ি-ঘর ভেসে গেছে  » «   সাংবা‌দিক বাবরের পিতার মৃত্যুতে অনুসন্ধান কল্যাণ সোসাইটি সিলেট এর শোক প্রকাশ  » «   জৈন্তাপুরে নৌকা ডুবিতে একি পরিবারের ৫ জন উদ্ধার ১ জন নিখোঁজ  » «   সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সীমান্ত এখন গরু চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য  » «   নবীগঞ্জে নিহত জাহান খুনের ৮ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে ধরতে পড়েনি পুলিশ!  » «   পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলার সাক্ষী দিলেন তার স্ত্রী তান্নী  » «   নবীগঞ্জে ধর্ষককারীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত  » «   জগন্নাথপুরে ধান সংগ্রহ শুরু  » «  

কবিতাই নামিয়ে দেয় বুকের ভার

4চাণক্য বাড়ৈ::পরম স্থিতি বলে কিছু নেই। ঘুমিয়ে পড়ি, তা-ও ছুটন্ত ট্রেনের পেছনে দৌড়াই। বাসের রেলিং ধরে ঝুলি, তা-ও বাল্যবন্ধুর সঙ্গে ঘুরে আসি আড়ং। ক্লাসে কিউবিজম বোঝার ফাঁকে দেখে আসি মাকে- তিনি উঠোনে ধান নাড়ছেন। মনের এই সতত বিচরণশীলতাই আমাকে কবিতার মুখাপেক্ষী করে। কবিতা হলো অসীম ও সার্বভৌম এক ভুবন, যেখানে বিচরণের নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা।

পুঁজিতন্ত্রের এই যুগে প্রথম প্রশ্ন হতে পারে, কবিতার উপযোগিতা কী- কবিতা অর্থকরী না স্বাস্থ্যকর? আমি বলব, কবিতা কৈশোরের ‘বৌ-চিঁ’ খেলার আনন্দের মতো নির্মল। কেননা, খেলাধুলায় রক্তসঞ্চালন বাড়ে। আর তাতে শরীর হয় হয় সুঠাম। পাশাপাশি অন্য কোন উপকরণের প্রয়োজন পড়ে না বলে টাকাও খরচ হয় না- এ কথা জেনে বা বুঝে কিশোররা বৌ-চিঁ খেলে না, তেমনি আমিও প্রতিদান বিবেচনায় এনে কবিতা লিখি না। তবু কবিতাই আমাকে দেয় সবচেয়ে বড় প্রতিদান। কবিতাই নামিয়ে দেয় বুকের ভার; হাল্কা হই। আর তখনই উড়ন্ত চিলের শরীর থেকে খসে পড়া পালকের মতো বিচরণ করতে থাকি আরাধ্য আকাশে।

কী লিখি কবিতায়? মনে করার চেষ্টা করি কলেজ-জীবনের প্রথম দিনটির কথা। সকাল ১০টা থেকে বেলা দুটা পর্যন্ত কতই তো হলো, কিছুই মনে করতে পারি না। এটুকু মনে পড়ে- হঠাৎ সদ্য চেনা এক সতীর্থ এসে বলল, ‘চলো, ছিনেমা দেহি। নতুন অ্যাট্টা ভিলেন আইছে!’ নিত্যদিনের চলায় বলায় এমন কিছু ঘটনা যা মনে দাগ কাটে, তা-ই ভাষা পায় কবিতায়। হ্যাঁ, এমন কিছু থাকে, যা আপাত অর্থে অবাস্তব। তাই তো শুরুতেই মনের ‘বিচরণশীলতা’র কথা বলেছি।

কবিতাকে বিচিত্রগামী করার চেষ্টা করি। মনে করি, নিরীক্ষার প্রয়োজন আছে, আছে প্রপঞ্চের; তবে দুর্বোধ্যতার নয়।

প্রথম কবে কবিতায় আক্রান্ত হয়েছিলাম, তা মনে নেই। অনির্ণীত সেই মাহেন্দ্র-মুহূর্ত থেকে বয়ে বেড়াচ্ছি এই দুরারোগ্য অথচ আরামদায়ক ব্যাধি!

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.