সংবাদ শিরোনাম
লিবিয়ার থেকে মাফিয়া দালারের খপ্পরে পড়ে লাশ হয়ে ফিরতে হলো জগন্নাথপুরের এখওয়ান  » «   দোয়ারাবাজারে অনলাইনে  কোটি টাকা প্রতারণা আটক স্কুল শিক্ষক  » «   সুনামগঞ্জ কোটি টাকা আত্মসাৎ চেয়ারম্যান শেরিনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি  » «   নবীগঞ্জে মসজিদের জুতার বক্সের ভিতরে থেকে ৩ মাসে একটি শিশু ছেলেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে  » «   রেমিট্যান্স কেনার ডলার রেট কমল, কার্যকর ১ অক্টোবর  » «   দেয়ারাবাজারে রাতে ঘর থেকে মুখ চাপা দিয়ে এক সংখ্যালঘু স্কুল ছাত্রীকে অপরহণ   » «   শাওন হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ  » «   পার্কিং ট্রাকের পিছনে প্রাইভেট কারের ধাক্কা সুনামগঞ্জ -সিলেট মহাসড়কে নিহত ১ আহত ২  » «   জামালগঞ্জে নৌ দুর্ঘটনায় নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর ২ জনের মরদেহ উদ্বার  » «   জালিম সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না : কাইয়ুম চৌধুরী  » «   মুন্সীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলায় সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল  » «   দোয়ারাবাজারে হাওর থেকে বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার  » «   ৪ মেয়ে জন্ম দেওয়ায় স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনায় স্বামী কারাগারে  » «   আওয়ামীলীগ সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না : কাইয়ুম চৌধুরী  » «   নবীগঞ্জে নিখোঁজের ২দিন পর বিবিয়ানা নদী থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার  » «  

কুয়েতে বাংলাদেশি এক যুবকের ফাঁসি কার্যকর

3সিলেটপোস্ট রিপোর্ট::কুয়েতে নেপালি এক নারীকে ধর্ষণের দায়ে মোহাম্মদ শাহ আলম নামের এক বাংলাদেশি যুবকের ফাঁসি কার্যকর করেছে দেশটি। বাংলাদেশি এই যুবকের সঙ্গে বিভিন্ন অপরাধে আরও ছয় জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। শাহ আলমের বাড়ি ঢাকার কদমতলী থানার ফরিদাবাদে।

বুধবার স্থানীয় সময় ভোরে এ দণ্ড কার্যকর করা হয়। বুধবার দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশনের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দণ্ড কার্যকর হওয়াদের মধ্যে দেশটির রাজপরিবারের এক যুবরাজকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত অপর যুবরাজ শেইখ ফয়সাল আল আব্দুল্লাহ আল সাবাহ রয়েছেন। এছাড়া অন্যরা হলেন, কুয়েতের নাগরিক নাসরা আল ইনেজি, দুই মিসরীয়, এক বাংলাদেশি, এক ফিলিপিনো ও এক ইথিওপিয়ান নাগরিক। ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়াদের সঙ্গে স্বজন ও নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিকরা মঙ্গলবার সর্বশেষ সাক্ষাৎ করেন।

২০০৮ সালের ২৮ নভেম্বর অপহরণের পর ধর্ষণ ও অত্যাচারের দায়ে বাংলাদেশি যুবক শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২০১৩ সালে তার বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেয় কুয়েতের সর্বোচ্চ আদালত।

কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর আবদুল লতিফ খান জানান, বিগত দুই বছর যাবৎ নেপাল ও বাংলাদেশ দূতাবাস অনেক চেষ্ঠা করেও অভিযোগকারীর খোঁজ পাওয়া যায়নি। ওই নেপালির মালিক ছিল একজন ইরানি। তিনিও কুয়েত ত্যাগ করে চলে গেছেন। অভিযোগকারীকে পেলে ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে হয়তো শাহ আলমকে বাচাঁনোর চেষ্টা করা যেত। এজন্য নেপাল দূতাবাস ও বাংলাদেশ দূতাবাস যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন।

শাহ আলমের সাথে দূতাবাস কর্তৃপক্ষের শেষ দেখা করার সময় তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মায়ের সঙ্গে ৫ মিনিট কথা বলেন। এ সময় তিনি ছোট ভাইকে দেখভালের জন্য মাকে অনুরোধ করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.