সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিক মীর্জা সোহেলের মায়ের মৃত্যুতে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের শোক  » «   তাহিরপুরে চোরাই পথে কয়লা সংগ্রহ করতে গিয়ে শ্রমিকের মৃত্যু !  » «   ছাতকে রাস্তার ঢালাই কাজে নিম্নমানের কংক্রিট ও বালু ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ  » «   সুদখোর ও জুয়াড়ী গুলজার বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ নবীগঞ্জের তিমিরপুর গ্রামবাসী  » «   লিবিয়ার থেকে মাফিয়া দালারের খপ্পরে পড়ে লাশ হয়ে ফিরতে হলো জগন্নাথপুরের এখওয়ান  » «   দোয়ারাবাজারে অনলাইনে  কোটি টাকা প্রতারণা আটক স্কুল শিক্ষক  » «   সুনামগঞ্জ কোটি টাকা আত্মসাৎ চেয়ারম্যান শেরিনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি  » «   নবীগঞ্জে মসজিদের জুতার বক্সের ভিতরে থেকে ৩ মাসে একটি শিশু ছেলেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে  » «   রেমিট্যান্স কেনার ডলার রেট কমল, কার্যকর ১ অক্টোবর  » «   দেয়ারাবাজারে রাতে ঘর থেকে মুখ চাপা দিয়ে এক সংখ্যালঘু স্কুল ছাত্রীকে অপরহণ   » «   শাওন হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ  » «   পার্কিং ট্রাকের পিছনে প্রাইভেট কারের ধাক্কা সুনামগঞ্জ -সিলেট মহাসড়কে নিহত ১ আহত ২  » «   জামালগঞ্জে নৌ দুর্ঘটনায় নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর ২ জনের মরদেহ উদ্বার  » «   জালিম সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না : কাইয়ুম চৌধুরী  » «   মুন্সীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলায় সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল  » «  

‘গরিবের নেওয়াজ’ হোটেলে বিনামূল্যে খাওয়ান তিনি

সিলেটপোস্ট ডেস্ক ::সাতক্ষীরা সদরের বাঁকাল এলাকায় রয়েছে একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাজে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত সেখানে।
হাসপাতালের সামনে ছোট হোটেল ‘গরিবে নেওয়াজ’। বাস্তবিক অর্থে অভাব ও বিপদে থাকা মানুষদের বিনামূল্যে খেতে দেন এই হোটেলের মালিক আব্দুর রশিদ সরদার।
চেষ্টা করেন সাধ্যের সবটুকু দিয়ে বিপদে পড়া মানুষটির আপ্যায়ন করার। কেউ যদি বলেন টাকা নাই তাহলে তাকে বিনামূল্যে খাওয়ান রশিদ।
হোটেলের সামনে ‘গরিবের নেওয়াজ’ নামে ছোট সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে, ‘তেল মাথায় দেন, গামছা নেন, গোসল করেন, ভাত খান, পয়সা থাকলেও খাবেন, না থাকলেও খাবেন।’
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের চরবালিথা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ সরদার। স্ত্রী ফজিলা খাতুন ও ছেলে সাগরকে নিয়ে বর্তমানে বসতি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ছোট হোটেলের মধ্যেই।
হোটেলের নামকরণ ও পয়সা থাকলেও খাবেন, না থাকলেও খাবেন এমন সাইনবোর্ডে এমন লেখার বিষয়ে হোটেল মালিক আব্দুর রশিদ সরদার বলেন, কে কখন কোথায় বিপদে পড়েন, সে কথা কারো জানা নেই। বিপদগ্রস্ত মানুষ যদি আমাকে এসে তার বিপদের কথা জানায় তবে তাকে আমি দেখব। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি তাকে খাওয়াব। এমন কেউ থাকলে আমি তাকে বলি, পয়সা দেয়া লাগবে না, বিনামূল্যে খেয়ে যান।
তিনি বলেন, ‘অনেকেই আসেন রোগীর সঙ্গে, গরিব মানুষ। অনেক সময় তাদের ফ্রি খেতে দিতে হয়। অসহায় মানুষ কি করব? যেটুকু পারি দেই। আমার মৃত্যুর আগে যদি একটু দোয়া দেয়, তাই গরিবের জন্য এসব করি। মেডিকেল কলেজের অনেক ছাত্ররা আমার এখান থেকে খেয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সময় অনেকে টাকা দিতে পারে না। পরে তারা দিয়ে দেয়। মেডিকেল কলেজ এলাকার প্রথম দোকানদার আমি, ৬ বছর আগে দোকান দিয়েছি। তখন ভ্যানের ওপর ছোট দোকান ছিলো, খাবার বিক্রি করতাম। হোটেলটা করেছি ৩ বছর আগে। স্ত্রী ও ছেলেটা আমার হোটেলের সহযোগী।’
তিনি আরো বলেন, ‘কিছুদিন আগে শ্যামনগর উপজেলা থেকে একজন রোগী ভর্তি হয়েছিল। তারা খুব গরিব মানুষ। আমাকে জানানোর পর তাকে দেখেছি। তার সঙ্গে থাকা স্বজনকে খেতে দিয়েছি। তবে সে আর সুস্থ হয়নি, মারা গাছেন। তার মৃত্যুতে খুব দুঃখ পেয়েছি।’
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.