সংবাদ শিরোনাম
ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির সুযোগে হাইকোর্টের রুল  » «   মাধ্যমিকে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল  » «   একজন মানুষ তাঁর কর্মের মাধ্যমে সবার কাছে প্রিয় বা অপ্রিয় হন: চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমদ  » «   পদত্যাগ করলেন মুরাদ হাসান  » «   সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীর অভিযোগ:‘অন্যায়ভাবে আমাদের বাসাবাড়ি ভেঙে দিয়েছেন মেয়র আরিফ’  » «   সুনামগঞ্জের সদরগড়ে দুইপক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে এক সালিশকে পিঠিয়ে হত্যা  » «   জৈন্তাপুরে সিজদারত অবস্থায় এক ইমামের মৃত্যু  » «   সিলেটে আসছে শীত বদলে যাচ্ছে তাপমাত্রা-কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়  » «   কুলাউড়ায় নবনির্বাচিত হাজিপুর ইউপি চেয়ারম্যানের ইন্ধনে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর  » «   সুনামগঞ্জে ছাত্রদলের মিছিলে পুলিশের বাঁধা  » «   ইংল্যান্ডে প্রতি ৬০ জনে একজন কোভিড আক্রান্ত  » «   ছাতকের তেরা মিয়া হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন ও ৯ জনকে কারাদন্ড  » «   দোয়ারাবাজারে কাজ করতে দেরি হওয়ায় দোকান ভাঙচুর, মারধর   » «   সিলেটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ করা হয়েছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে  » «   কানাইঘাটের আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে শোকের ছায়া-নারী বাবুর্চি সহ দু-জনের লাশ উদ্ধার  » «  

এই সময় পিয়াজ আমদানি আত্মঘাতি

মোঃ আব্দুল মালিক::এক সময় বাংলাদেশ পিয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ, মরিচ এসব মসলা জাতীয় পণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল। কিন্তু সরকারের যথাযথ উদ্যোগের অভাব এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ভুল নীতির কারণে বিগত বছরগুলিতে বাংলাদেশ এসব পণ্যে আমদানি নির্ভর হয়ে পড়েছে। সিংহভাগ পিয়াজ, হলুদ, শুকনা মরিচ আমদানি হয় ভারত থেকে। রসুন ও আদা আসে চীন থেকে। তাছাড়া আদা ও অন্যান্য মসলাজাতীয় দ্রব্য প্রচুর পরিমাণে অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। প্রয়োজনে আমদানি করে চাহিদা মেটাতে হবে এটা কোন দোষের নয়। তবে উৎপাদন করে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন।

বাঙ্গালির রসনা বিলাসে পিয়াজের স্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশীয় পিয়াজের খাদ্যমান ভালো হওয়া স্বত্ত্বেও আকার ছোট ও ভারতীয় পিয়াজের মতো সুন্দর না হওয়ায় ভোক্তারা দেশীয় পিয়াজে ততটা আগ্রহী নন। ফলে পিয়াজের বাজার চলে গেছে ভারতের দখলে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত হঠাৎ করে পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। বিপাকে পড়েন বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ। পিয়াজের দাম বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি কেজি ১০০/১৫০/- টাকা। ২০১৯ সালেও ভারত সরকার এভাবে হঠাৎ করে পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশে পিয়াজের সংকট দেখা দেয়। ২০১৯ ও ২০২০ সালের এই সংকট দেখে দেশীয় চাষীরা পিয়াজ উৎপাদনে মনযোগী হন। গতবারের তুলনায় এবার দেশীয় পিয়াজের উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বর্তমানে দেশী পিয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় গত ২৮ ডিসেম্বর ভারত আবার পিয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ভারতীয় পিয়াজ আসতে শুরু করেছে। এই ভরা মৌসুমে ভারতীয় পিয়াজ বাজারে আসলে দেশীয় উৎপাদকরা মার খাবে, কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ফলে কৃষকরা আর পিয়াজ চাষে উৎসাহিত হবেন না। ভারত যদি তার দেশ ও জাতির স্বার্থে সংকটময় মুহূর্তে পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিতে পারে। তাহলে বাংলাদেশের কৃষকের স্বার্থে ও পিয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য এ সময় বাংলাদেশ পিয়াজ আমদানি বন্ধ রাখতে পারবে না কেন ? এই মূহুর্তে যদি পিয়াজ আমদানি বন্ধ রাখা হয় বা আমদানিকৃত পিয়াজের ওপর টেক্স, ভ্যাট বাড়িয়ে দেওয়া হয় তাহলে দেশীয় কৃষকরা উপকৃত হবেন, প্রকারান্তরে দেশ লাভবান হবে। তাই জাতীয় স্বার্থে অবিলম্বে ভারতীয় পিয়াজ আমদানি বন্ধ করা বা টেক্স, ভ্যাট বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। এ ব্যাপারে সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম কর্মী, অর্থনীতিবিদ, ও নীতিনির্ধারকদের সু-দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শিক্ষক লেখক কলামিস্ট

মোঃ আব্দুল মালিক

মোবাইলঃ ০১৭৪৯-৭৫০৫৩৫

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.