সংবাদ শিরোনাম
ওসমানীনগর উপজেলা প্রশাসনের মসজিদ ঘিরে ধ্রুমজাল!  » «   ঢাকা- সিলেট মহা সড়কের দক্ষিণ কুর্শা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, পরিবারে চলছে শোকের মাতম  » «   জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক, আহত ৫  » «   মদিনা মার্কেটস্থ কালিবাড়ি রোডে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ী ফয়জুর নিহত  » «   খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে-সিলেটে খাদ্যমন্ত্রী  » «   আশারকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ূব খান কর্তৃক উপকারভোগীদের ২শতাধিক ড্রামের টাকা আত্মসাত,বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের  » «   গোয়াইনঘাটে পাহাড়ী ঢল ও ভারী বর্ষণে নিম্মাঞ্চল প্লাবিত  » «   সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় পাহাড়ি ঢলের পানিতে ১৬ শত একর পাকা ধান ও বাড়ি-ঘর ভেসে গেছে  » «   সাংবা‌দিক বাবরের পিতার মৃত্যুতে অনুসন্ধান কল্যাণ সোসাইটি সিলেট এর শোক প্রকাশ  » «   জৈন্তাপুরে নৌকা ডুবিতে একি পরিবারের ৫ জন উদ্ধার ১ জন নিখোঁজ  » «   সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সীমান্ত এখন গরু চোরাচালানের স্বর্গরাজ্য  » «   নবীগঞ্জে নিহত জাহান খুনের ৮ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে ধরতে পড়েনি পুলিশ!  » «   পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলার সাক্ষী দিলেন তার স্ত্রী তান্নী  » «   নবীগঞ্জে ধর্ষককারীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত  » «   জগন্নাথপুরে ধান সংগ্রহ শুরু  » «  

ভারতে গাছের ডালে মাচা বানিয়ে আইসোলেশনে যুবক!

সিলেটপোস্ট ডেস্ক::করোনায় বিধ্বস্ত ভারত। প্রতিদিন সেখানে মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতজুড়ে আইসোলেশন সেন্টারেরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। আইসোলেশন সেন্টার ও চিকিৎসার অভাবে নিরুপায় হয়ে গাছের ডালে মাচা বানিয়ে আইসোলেশনে থাকছেন শিবা নামের এক যুবক।

জানা যায়, তেলেঙ্গানার নলগোন্ডা জেলার কোঠানন্দিকোন্ডা গ্রামে একটিও সরকারি কোভিড সেন্টার নেই। তাই সে গ্রামের সব মানুষের একই অবস্থা। করোনা মোকাবিলায় শহুরে মানুষ যেসব পরিষেবা পান সেগুলো সবই ধরা ছোঁয়ার বাইরে কোঠানন্দিকোন্ডা গ্রামের বাসিন্দাদের। শুধু করোনা পরিস্থিতি নয়, যেকোন প্রয়োজনে ডাক্তার দেখানোর প্রয়োজন হলে যেতে হবে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রামের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

শিবা বলেন, আমাদের গ্রামে মাত্র দুদিন হলো আইসোলেশন সেন্টার বানানো হয়েছে। কিন্তু সেটা এখনও অনুপযুক্ত। আশপাশের গ্রামগুলোতে আইসোলেশন সেন্টার তো নেই। এমনকি হাসপাতালও নেই। করোনা সম্পর্কে আমার গ্রামের মানুষরা এখনও সচেতন না। এমনকি তাদের কোনো ধারণা নেই যে, দেশের করোনা পরিস্থিতি কোন দিকে এগোচ্ছে। আমি করোনায় আক্রান্ত হলে গ্রামের কেউই আমাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি। এদিকে বাড়িতে আলাদা থাকার মতো ঘর নেই। তাই করোনা যেন আমার গ্রামে না ছড়ায় সেজন্য গাছের মগডালে মাচা বানিয়ে থাকছি। নিজেকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন রাখছি।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে শিবার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। বিভিন্ন হাসপাতাল ও আইসোলেশন সেন্টারে ঘুরেও জায়গা হয়নি তার। বাড়িতে আলাদা ঘর না থাকায় বাধ্য হয়ে গাছের ডালে থাকছেন তিনি।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.