শুক্রবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ছাত্রাবাস খোলা হয়। করোনা পরীক্ষার শর্ত পূরণ করে শুক্রবার ছাত্রাবাসে আসন পেয়েছেন মাত্র চারজন।

জানা গেছে, কলেজ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ১ শ শিক্ষার্থীর নমুনা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট নেগেটিভ এলে রোববার আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ৫৪৪ টাকা ফি দিয়ে ছাত্রাবাসে থাকতে পারবেন। এ ছাড়া ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে সাড়ে চারটার সময় ছাত্রাবাস খোলার পর এমসি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সালেহ আহমদ নির্দেশনা পাঠ করে শোনান। এরপর চারজন ছাত্র তাঁদের করোনা পরীক্ষার নমুনা নেগেটিভ দেখিয়ে ছাত্রাবাসের আসন বরাদ্দ নেন।

এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষ সালেহ আহমদ বলেন, প্রথম দিন মোট চারজন ছাত্রাবাসে উঠলেও আরও ১০০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিয়ে অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। আগামী রোববার নাগাদ তাঁদের করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন দেখে আসন বরাদ্দ করা হবে।

জানা গেছে, গত রোববার ছাত্রাবাস খোলার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বহিরাগত ব্যক্তিদের প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ছাত্রাবাসে উঠতে করোনার নমুনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়। নমুনা পরীক্ষা ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীকে ছাত্রাবাসে সিট বরাদ্দ দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। ছাত্রাবাসে মোট আসনসংখ্যা ৩৪৫। গত বছরের ১৭ মার্চ ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণার আগে ৩৪৫টি আসন পূর্ণ ছিল।

আগামী রোববার ছাত্রীনিবাসও খোলা হবে জানিয়ে এমসি কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ আহমদ বলেন, সার্বিক পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য স্বাস্থ্যবিধি মানা ও বহিরাগত ব্যক্তিদের প্রবেশ বন্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।