সংবাদ শিরোনাম
শাবিপ্রবি-তে গভীর রাতে ড.জাফর ইকবাল :অনশন ভাঙলেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা  » «   আমরণ অনশন ভাঙতে রাজী হন নি শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী-আন্দোলন অব্যাহত  » «   বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের পর এবার শাবিপ্রবির ভিসির বাসভবনে খাবার ও ঔষধ পাঠাতে দিচ্ছে না আন্দোলনকারীরা  » «   হবিগঞ্জ আদালতের ২৮ জন বিচারকের মধ্যে ১০জনই করোনা আক্রান্ত!  » «   একদফা দাবিতে অনড় শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা-ভিসি’র বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ  » «   শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুর পথে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী”রা  » «   ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-২, গ্রেফতার-১  » «    যারা সন্ত্রাসকে পছন্দ করে তারাই র‌্যাবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে.সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ১৫০ পরিবারের মধ্যে চাউল বিতরণ করল অনুসন্ধান কল্যাণ সোসাইটি  » «   অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে দোয়ারাবাজারে,৭ শ্রমিককে কারাদণ্ড  » «   সিলেটের পথ শিশুরা ড্যান্ডিতে আশক্ত  » «   আমরণ অনশনে শাবি শিক্ষার্থীরা:সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ভিসি  » «   ভিসি’র পদত্যাগ না হলে আন্দোলন চলবে:শাবিপ্রবির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা  » «   ওসমানীনগরে সংঘর্ষে আহত ১২,পাল্টাপাল্টি মামলা  » «   আখালিয়ায় ফার্মেসীতে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ১, লুট  » «  

সিলেটে শীতের কাপড় কিনতে ফুটপাতে ও মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড়

মোঃ ফারুক মিয়া::সিলেট শহরে শীত কম থাকলেউ, সিলেট শহরের একটু বাইরের প্রায় সব জায়গাতে শীতের তীব্রতা রয়েছে । সন্ধ্যা ও রাতে হিমেল হাওয়ায় শহরে ও গ্রাম গঞ্জে জেঁকে বসেছে অগ্রাহনের শীত। গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে , শীত থেকে রক্ষা পেতে সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ফুটপাতের দোকান গুলোতে। সিলেট নগরীর বিভিন্ন দোকানের চেয়ে ফুটপাতে দোকানে ভীড় বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত মার্কেট গুলোতে গরম কাপড়ের চাহিদা বাড়ছে। ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে হরেক রকম বাহারী পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। শুরুতেই শীত বস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় বিভিন্ন ধরনের শীতের পোশাক তুলেছেন তারা। সিলেট শহরের বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর ফুটপাতে দোকান বসেছে অন্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি তবে সেটা ভিন্ন ভাবে কেউ হাতে করে কেউ ঝুঁড়িতে করে কেউ বা ভ্যান গাড়িতে করে। বাজারে মহিলা ক্রেতাদের ভীড় বেশি দেখা যাচ্ছে আর সাথে নিয়ে আসছে তাদের ছেলে মেয়েদের। অনেক ব্যবসায়িরা ভ্যানের উপরে পুরাতন কাপড় নিয়ে ফেরি করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে।

প্রতিদিন সিলেট শহরে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটপাতে ও হাসান মার্কেট, এবং হকার্স মার্কেট, পুনবাসন পাওয়া লালদিঘীর পাড়ের দোকান গুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি উচ্চবিত্তরাও এসব দোকানে ভিড় জমাচ্ছে। বিশেষ করে মৌসুম ভিত্তিক দোকান গুলোতে শীতের কাপড় কেনা-বেচা চলছে পুরোদমে। তীব্র শীতের আবাস কিছুটা পাওয়া গেছে হালকা বৃস্টির মাধ্যমে। ফুটপাতের দোকান গুলোতে চোখ ফেলেছে শীতের উষ্ণতা পেতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের, তবে এ রকম ভাবে শীতের মাত্রা আরো বাড়লে বেচাকেনা সামনের দিনে অনেক ভালো ব্যবসা হবে এমনটাই আশা ফুটপাতে বসা দোকানিদের ও মার্কেট ব্যবসায়িদের।

ফুটপাতের দোকানে একটি সোয়েটারের দাম ১০০ থেকে ৩০০ টাকা, বাচ্চাদের কাপড় ৩০ থেকে শুরু করে ২০০টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সাদ্ধের মধ্যে থেকেই পছন্দের শীতের পোশাকটি বেছে নিতে চেষ্টা করছে নিম্নবিত্ত দরিদ্র মানুষরা।

প্রতি বছর শীত মৌসুম আসলেই তাদের বিক্রয়ের অবস্থা বেশ ভালোই হয় গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা থাকায় শীতার্ত মানুষ প্রচন্ড শীত থেকে রক্ষা পেতে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ভীড় জমাচ্ছেন স্থানীয় মার্কেটগুলো থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান গুলোতে।

ফুটপাতের দোকানদাররা জানান, শীত বেশি পড়লে ব্যবসা অনেক ভালো হয় এবং শীত কম হলে বেচা কেনা কম হয়। বড়দের জ্যাকেট, সোয়েটার, কোট, বাচ্চাদের কাপড় পাওয়া যায়, সে গুলোর দাম তুলনামূলক একটু কম হয়। কোনো পোশাকের মূল্য নির্দিষ্ট করা থাকে না। তবে দর কষাকষি ছাড়া পছন্দের পোশাক ক্রেতাদের কেনা সম্ভব হয় না। সব পোশাকের দাম একটু বেশি করে চাওয়া হয়। যাতে বিক্রেতারা তাদের লাভ পুষিয়ে নিতে পারেন।

অন্যদিকে ফুটপাতের আরো কয়েকজন শীতবস্ত্র বিক্রেতা জানায়, সব বয়সী মানুষের পোশাক বিক্রয় হচ্ছে, এসব ফুটপাত গুলোতে। গার্মেন্টস আইটেমের চেয়ে পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রি করে বেশি লাভ হয়। ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে আমাদের লাভ-লোকসান। স্থানীয় এক ক্রেতা জানান দেখে-শুনে ভালো শীতের পোশাক ক্রয় করি, ফুটপাতের দোকান গুলোতে শীতের অনেক ভালো পোশাক পাওয়া যায়। দামের দিক দিয়ে ও মোটামুটি সস্তা। তবে দর দাম করেই পোশাক কিনছি।

তবে ফুটপাত উচ্ছেদের কারণে বার বার সিসিক এর অভিযান ও প্রশাসনের অভিযানে তারা বেচা কেনা করতে সমস্যা হয়। আর লালদিঘীর পাড় পুনবাসন পাওয়া হকারদের নিজস্ব রাস্তা না থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে বলে জানা যায়। তবে ব্যবসা অন্যান্য বছরের থেকে এবার ভালো হচ্ছে বলে জানান মার্কেটের কিছু ব্যবসায়ী। অগ্রহায়ণের মাসে শীতের আবাস পাওয়ায় ব্যবসায়ী আসাবাদি এবার ব্যবসা ভালো হবে পৌষ মাঘ মাসে। তাছাড়া শৈত্যপ্রবাহের কারণে যদি তীব্র শীত পড়ে তাহলে আরও বেশি ব্যবসা ভালো হবে ফুটপাতের এবং মার্কেটের ব্যবসায়িদের কাছ থেকে এমনটাই জানা গেছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.