সংবাদ শিরোনাম
সিলেটের ওসমানীনগরে মা-মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ  » «   জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্বান্ত-বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল  » «   দেশের সংকট নিরসনের জন্য আওয়ামীলীগকে বিতাড়িত করার বিকল্প নেই :খন্দকার মুক্তাদির  » «   চুনারুঘাটে ছেলের হাতে মা খুন,ছেলে আটক  » «   জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   দোয়ারাবাজারে ভারতীয় মালামালসহ আটক ২   » «   ওসমানীনগর থানার ওসি অথর্ব ও দুর্নীতিবাজ-মোকাব্বির খান এমপি  » «   ভোলায় পুলিশী ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল  » «   সিলেটে ঘুষ ছাড়া সহজে কারো পাসপোর্ট হয়না: ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠি  » «   সুনামগঞ্জে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা  » «   জামালগঞ্জে জামায়াতের আমীর দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র জিহাদি বইসহ ২জন আটক-মামলা  » «   সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু  » «   জৈন্তাপুর সীমান্তের ডিবির হাওর এলাকায় ৪৮ বিজিবি’র মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত  » «   ওসমানীনগরে সাংবাদিকের বাড়িতে কর্মরত যুবকের লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার  » «   দোয়ারাবাজারে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু  » «  

হবিগঞ্জের আলোচিত সাজানো নারী নির্যাতন মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন নবীগঞ্জের ৫ সাংবাদিক সহ ৬ জন

বুলবুল আহমেদ, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি::বিগত করোনা পরিস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণ নিয়ে সারা দেশের ন্যায় নবীগঞ্জের নানান ইউনিয়নে সরকারে দেওয়া গরীব অসহসয় লোকজনের টাকা পয়সা, চাল, ডাল, তেল, সাবাল, সৌরবিদ্যু ইত্যাদি। বিগত দিনে মাত্র কয়জন পেয়েছে? অল্প কিছু দিয়ে সব আতৎসাত করতে চেষ্টায় সবাই পায়তারা করছে। এতে সরকার গরীব দুঃখি জনগণের জন্য যাহা দেওয়া হচ্ছে তা আসল গরীবস পাচ্ছে না। সাবেক চেয়ারম্যানে হারুন নিবার্চিত হওয়ার পর থেকে তার বিরুদ্ধে শতাধীক অনিয়ম দূনীতির সংবাদ প্রকাশ হয়। এতে চেয়ারম্যান জাতীয়, স্থানীয়, অন লাইন বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশ হয়। এমনকি ৭১ টিতে এ নিয়ে আলোচনা সহ সরাসরি দেখানো হয়। এসব সংবাদ দেখে পড়ে ও শুনে সাংবাদিকদের গালিগালাজ করতেও শুনা। এরই দ্বারাবাহীকতায় সাংবাদিক শাহ সুলতান আহমেদ একটি লাইভ “অসহায়দের কথা শনু’ করেছিল। এই সংক্রান্ত সংবাদের প্রকাশ হওয়ায় চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত ভিন্ন কৌশলে চেয়ারম্যানের অরববিট হাসপাতালে রহস্যময় নারী ফয়জুন আক্তার মনি সহ তার লোকজনকে প্ররিকল্পিত ভাবে দাড় করিয়ে রাখে। শ্লীলতাহানিসহ নারী নির্যাতন, অপহরণের চেষ্টা ও চুরির অভিযোগ এনে ৫ সাংবাদিক সহ এক কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে মামলা করে মনি । আর এ ঘটনার ভিডিওটি যে তুলেছে তার প্রমান সহ আগামী পূর্বে আসবে। আলোচিত ঐ মামলা নিয়ে দেশ- বিদেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মামলার মানিত অনেক স্বাক্ষী কোর্টে হলফনামায় ঐ মামলাটি মিথ্যা বলে দাবি তুলেন।চেয়ারম্যানের সংবাদ প্রকাশ করায় সাবেক চেয়ারম্যান হারুন তার দূনীর্তি ঢাকতে নবীগঞ্জ ও হবিগঞ্জের কিছু সাংবাদিক ও সংবাদ কর্মীদের ভূল তথ্য দিয়ে বিভিন্ন ভাবে মানহানিকর মামলা ও সংবাদ করে আসছিল। এমন কি দিন দুপুরে প্রকাশ্যে হারুন তার গুন্ডা বাহিনী নিয়ে একটি চা স্টলে বসে চা পান করা শেষ করার পূর্বেই চা স্টলের চতুরদিক দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান হারুন সহ তার লোকজন দোকান ঘরে প্রবেশ করে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম, রড ও হকি স্ট্যাক দিকে বেদরক মারপিট দোকানের সকল মালামাল সহ আশ্বাবপত্র ভেঙ্গে যায়। এতে সামনে থাকা আরো কয়েকটি দোকান খেটে খাওয়া মানুষের ঘর ভেঙ্গে ঘুড়িয়ে দেয়। এতে সাংবাদিককে মাধররের ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে নবীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ সাবেক চেয়ারম্যান হারুনকে ধরে তার বাড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান যালায়। কিন্তু পুলিশ যাওয়ার আগেই সে মোবাইল বন্ধ করে স্থান পরিবর্তন করে বিভিন্ন স্থানে অাত্মগোপনে ছিলেন। এতো বড় ঘটনাকে চিরস্থায়ী মিমাংশা কররার জন্য কৌশল করে সামাজিক বিচারের মাধ্যমে মিমাংশা করে দেন নবীগঞ্জ হবিগঞ্জের সুশীল লোকজন। কিন্তু দুপক্ষকেই বলা হয়েছিল মামলা তুলো আনার জন্য। এতে সাংবাদিকদের মামলা তুলে আনলেও। কিন্ত সাবেক বির্তকিত চেয়ারম্যান হারুন তিনির মামলা এখনন্ত সে তুলে নি? এবং সে ও তার লোকজনকে বাঁচতে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আলোচিত মনির সন্ধান কতিত এক পানি নেতার মাধ্যমে পান। পরে চেয়ারম্যান ও তার লোকজনের সাথে সমন্নয় হয়ে ফারজুন আক্তার মনিকে ম্যানেজ করে নবীগঞ্জের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন ৫ সাংবাদিক সহ ১ কলেজ পড়ুয়া ছাত্র সহ ৬ জনর পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যার বেচাতি দিয়ে সাজানো নাটক করে নারী নির্যাতন মামলা করে। উক্ত সত্য ঘটনাটি গত ২০২০ সালের (২এপ্রিল) উপজেলার আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মহিবুর রহমান হারুনের নেতৃত্বে সাংবাদিক শাহ সুলতান সহ ৪/৫জনের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বতর্মান ইউপি সদস্য শাহ সুলতানকে বেধরক মারপিট করে, আর চেয়ারম্যান হারুন সুলতানের পাশে বসা থাকা সাংবাদিক বুলবুল এ সময় উত্তেজিত হয়ে সন্ত্রাসী হারুন বুলবুলকে ঝাপটা দিয়ে ধরে অস্ত্রধরীদের হুকুম দেয় সুলতানকে প্রাণে মের ফেল! যা হয় আমি দেখবো। এ কথা বলা মাত্রই সুনতানকে এমন ভাবে কয়েকজন মিলে বেধরক মারপিট করতে শুরু করে। এমন দৃশ্য দেখে সহকর্মী বুলবুল আহমেদ বাঁধা দিলে এময় তাকে কয়েকজন ব্যারিকেট দিয়ে রাখে। এ ন্যাক্কজমক ঘটনায় সাংবাদিক শাহ সুলতানের সমস্ত শরীরের আঘাতের চিহৃ ফুটে ওটে। সে এখনও পুরো সুস্থ নয়। এ খবর সাংবাদিক এম মুজিবুর রহমান পেয়ে ঘটনাস্থলে আসলে তাকেও হারুনের লাটিয়াল বাহিনী মারধর করে। এমন কি চেয়ারম্যানের মসজিদে মাইকিং গাড়ি বহর করে গ্রামের মানুষ এনে বাজারে বিশাল বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটায়। সত্য সংবাদ প্রকাশ করার কারণে সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনা চতুরদিকে চড়িয়ে পড়লে উত্তোজিত জনতা সাবেক চেয়ারম্যান হারুন সহ তার লোকজনের প্রায় ঘন্টাখানে সাধরণ জতার সাথে মারামারি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শেষে তাদেরকে স্থানীয় জনতার এক য়ে দাওয়ায়দিলে ভূ-দৌড় দিয়ে পালায় চেয়ারম্যান ও তার লোকজন অরবিটের ৫তলার উপর। উপর থেকে যখন সাবেক চেয়ারম্যানের লোকজন শুরু করলো পাথর নিক্ষেপ তখন পথচারী, ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন আহত আহত হয়েছে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যান সহ আরো কয়েকজনকে আসামী করে থানায় মামলা দেয়ার পর নবীগঞ্জ থানা পুলিশ দিনে- রাতে নবীগঞ্জ থানা ওসি তদন্ত সহ সকল পুলিশই চেয়ারম্যানকে ধরতে আপ্রাণ শেষ্টা করেছেন। কিম্তু ধরতে পারেনি। এর দুপক্ষের মামলা তুলে আনার কথা থাকে এসম এমপি মিলাদ গাজী সহ নবীগঞ্জ হবিগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিরা। কিন্তু সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যে মামলাটি দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলা তুলা হয়েছে কিন্ত আজ পর্যন্ত চেয়ারম্যান কর্ত্ক যে মামলা হয়ে তা কেন তুলা হলো না? পরে ভিন্ন পথ অবলম্বন ও নিজেকে বাচাতে অরবিট হাসপাতালে রহস্যময় নারী ফয়জুন আক্তার মনির শ্লীলতাহানিসহ নারী নির্যাতন, অপহরণের চেষ্টা ও চুরির অভিযোগে ৫ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন মনি। আলোচিত ঐ মামলা নিয়ে দেশ-বিদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। মামলার মানিত অনেক স্বাক্ষী কোর্টে হলফনামায় ঐ মামলাটি মিথ্যা বলে দাবি তুলেন। এরই প্রেক্ষিতে দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৫ জুন বুধবার জামিনে থাকা আসামীদের উপস্থিতিতে মামলার শোনানি অনুষ্ঠিত হয়। এবং উভয় পক্ষের আইনজীবির ব্ক্তব্য শোনে বিজ্ঞ আদালত মামলাটির মধ্যে নারী নিবিজ্ঞ আদালত মামলাটির মধ্যে নারী নির্যাতনের কোনো উপাদান না থাকায় সব আসামীকে বেখসুর খালাস প্রদান করেন। এবং মামলা থেকে তাদেরকে অব্যাহতি প্রদান করেন। এসময় রাষ্ট্র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, স্পেশাল পিপি মোঃ মোস্তফা আলী এতে আসামী পক্ষে শোনানী করেন, হবিগঞ্জ জেলা বারের সাবেক সভাপতি বদরুল মিয়া বদরু ও সিনিয়র সাংবাদিক শাহ ফখরুজ্জামান ,এড. এম,এ মজিদ সহ আরো অনেকেই। উক্ত মিথ্যা মামলাটি নবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-৩ বিচারক হালিম উল্লাহ চৌধুরীর বিচারিক আদালতে ঐ মামলাটি খারিজ করে মামলা থেকে পাঁচ সাংবাদিকসহ ৬ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। গতকাল বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে ফয়জুন আক্তার মনি কর্তৃক দায়েরকৃত মামলা থেকে দৈনিক সমকালের নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এমএ আহমদ আজাদ, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সহ সভাপতি শাহ্ সুলতান আহমেদ, সাবেক সহসভাপতি হবিগঞ্জের আলোচিত সাজানো নারী নির্যাতন মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন নবীগঞ্জের ৫ সাংবাদিক কলেজ ছাত্র সহ ৬ জন- সাংবাদিক মহল সহ সুশিল সমাজে চলছে আনন্দ উল্লাস।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.