সংবাদ শিরোনাম
সিলেটের ওসমানীনগরে মা-মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ  » «   জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্বান্ত-বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল  » «   দেশের সংকট নিরসনের জন্য আওয়ামীলীগকে বিতাড়িত করার বিকল্প নেই :খন্দকার মুক্তাদির  » «   চুনারুঘাটে ছেলের হাতে মা খুন,ছেলে আটক  » «   জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   দোয়ারাবাজারে ভারতীয় মালামালসহ আটক ২   » «   ওসমানীনগর থানার ওসি অথর্ব ও দুর্নীতিবাজ-মোকাব্বির খান এমপি  » «   ভোলায় পুলিশী ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল  » «   সিলেটে ঘুষ ছাড়া সহজে কারো পাসপোর্ট হয়না: ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠি  » «   সুনামগঞ্জে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা  » «   জামালগঞ্জে জামায়াতের আমীর দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র জিহাদি বইসহ ২জন আটক-মামলা  » «   সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু  » «   জৈন্তাপুর সীমান্তের ডিবির হাওর এলাকায় ৪৮ বিজিবি’র মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত  » «   ওসমানীনগরে সাংবাদিকের বাড়িতে কর্মরত যুবকের লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার  » «   দোয়ারাবাজারে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু  » «  

জগন্নাথপুরে কোরবানির হাটে উঠেছে একটি গরু

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::কোরবানির ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। বৃহত্তর সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কারণে প্রভাব পড়েছে ঈদবাজারে। আজ বুধবার উপজেলা সদরের পৌরশহরের হেলিপ্যাড মাঠে কোরবানির প্রথম পশুর হাট বসে।

আজ দুপুর ১২টায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাটে মাত্র একটি গবাদি পশু উঠেছে।

পশু শূন্য হাট, ক্রেতা নেই। বিক্রেতাও নেই।

হাটে গরু নিয়ে আসা পৌর এলাকার ইকড়ছই পারুয়া বাড়ির কৃষক সিরাজুল ইসলাম জানান, কিছুক্ষণ আগে গোয়ালঘরের একটি গবাদি পশু হাটে নিয়ে এসেছি। এখনো হাটে আর কেউ গরু নিয়ে আসেননি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হয়তো কিছুটা বাজার জমতে পারে। তবে আশানুরূপ হবে না। কারণ এখনো উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বন্যার পানি রয়েছে। সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়নি। মানুষ এখনো পানিবন্দি। এজন্য হাট জমবে না।

হাটের ইজারাদার মকবুল হোসেন ভূঁইয়া জানান, কোরবানি ঈদের প্রথম পশুর হাট আজ আমরা বসিয়েছি। বন্যার কারণে ক্রেতা বিক্রেতাদের উপস্থিতি কম। তবে বিকেলের দিকে কিছুটা জমতে পারে।

 

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুন জগন্নাথপুর উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। গত কয়েক দিনে উপজেলা সদরের উঁচু এলাকা থেকে বন্যার পানি কমলেও নিচু এলাকায় ধীরে ধীরে পানি নামছে। হাওরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের কয়েক হাজার পরিবার এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। পানি কমার সঙ্গে বাড়ছে দুর্ভোগ। গত ১২ দিনেও স্বাভাবিক হয়নি সড়ক যোগযোগব্যবস্থা। ডুবে আছে অসংখ্য গ্রামীণ রাস্তাঘাট। এছাড়া বসতবাড়িতেও পানি রয়েছে। বন্যার কারণে এবারে ঈদে প্রভাব পড়বে বলে মনে করেছেন স্থানীয়রা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.