সংবাদ শিরোনাম
দোয়ারাবাজারে মাদক সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ জনের সাজা  » «   বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন  » «   দোয়ারাবাজারে কেন্দ্র ফি’র নামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়  » «   তাহিরপুরে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে প্রধান শিক্ষকের টালবাহানা   » «   দোয়ারাবাজারে সরকারি ভাতা দেওয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারককে জরিমানা  » «   মৌলভীবাজারের জুড়িতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ দুইজন গ্রেফতার  » «   দোয়ারাবাজারে বিদেশী মদের চালানসহ মাদক কারবারি আটক  » «   সুনামগঞ্জের তিন উপজেলার ১৫টি স্পটে চলছে সহশ্রাধিক অবৈধ ক্রাশার মেশিনের তান্ডব  » «   সুনামগঞ্জে পিতা ও কন্যার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের  » «   সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  » «   সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার  » «   নবীগঞ্জে যুদ্বাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মিয়া আমাদের মধ্যে আর নেই! রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাপন  » «   জুড়ীতে ফেনসিডিল ও ইয়াবাসহ আটক ১  » «   ছাতকে আবুল হোসেনকে পরিকল্পিত হত্যা নাকি অন্য কারণ?প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা   » «   দোয়ারাবাজারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত   » «  

দোয়ারাবাজারে গ্রাম পুলিশের সদস্যরা ১১ মাস বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন

দোয়ারাবাজার( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৮১ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য প্রায় ১১ মাস ধরে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) অংশের বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না, যা তাঁদের বেতনের অর্ধেক। নিয়মিত কাজ করে বেতন-ভাতা না পেয়ে তাঁরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।এ ছাড়া চার বছর ছয় মাস ধরে হাজিরা ভাতাও বন্ধ রয়েছে।
গ্রাম পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে মোট ৮১ জন গ্রাম পুলিশ সদস্য। তাঁদের মধ্যে ৭ জন দফাদার এবং ৭৪জন মহল্লাদার রয়েছেন। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী দফাদারেরা প্রতি মাসে ৭ হাজার টাকা ও মহল্লাদাররা ৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। মোট বেতনের অর্ধেক ইউপি থেকে দেওয়া হয়। কিন্তু ১১ মাস ধরে ইউপি অংশের বেতন-ভাতা বকেয়া পড়ে আছে।
গ্রাম পুলিশ দোয়ারাবাজার  উপজেলা কমিটির সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, গ্রাম পুলিশের সদস্যরা উপজেলা পরিষদ, ইউপিসহ গ্রাম-মহল্লায় দিন-রাত কষ্ট করে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, কিন্তু বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। বেতন ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা প্রিয়াংকা জানান,ইউপি চেয়ারম্যানগণ ট্যাক্স আদায়ের পরিমাণ থেকে অর্থাৎ ১% থেকে যে টাকা আসে তা দিয়ে ইউপি অংশের বেতন ভাতা দেওয়া হয়। করোনা ও বন্যার কারণে পর্যাপ্ত ট্যাক্স আদায় করা সম্ভব হয়নি বিধায় তহবিলে টাকার স্বল্পতা রয়েছে তাই সময়মত তাদেরকে বেতন-ভাতা দেয়া যায়নি।  বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.