আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব সিলেট গড়তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে: খন্দকার মুক্তাদির
সিলেটপোস্ট ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেটকে একটি আধুনিক ও ব্যবসাবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সিলেটের ভৌগোলিক অবস্থান, প্রবাসী সংযোগ ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখানে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি।
নির্বাচিত হলে এই চিত্র বদলানো হবে। সিলেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় হয়রানি, অব্যবস্থাপনা ও জটিলতা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেবে বিএনপি।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সিলেট মহানগরীতে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে প্রচারণাকালে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট সচেতন ব্যবসায়ী ফোরামের উদ্যোগে ধানের শীষের পক্ষে স্বতঃস্ফুর্ত এই প্রচারণা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এতে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয় প্রচারণা। চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, কোর্টপয়েন্ট, বন্দরবাজার, সিটি সুপার মার্কেট, হকার্স মার্কেট, লালদিঘীরপাড়, করিমউল্লাহ মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকা ও বড় বড় বিপণিবিতানে দুপুর অবধি চলে বিরামহীন প্রচারণা। প্রচারণাকালে সাধারণ ব্যবসায়ীরা স্বোৎসাহে খন্দকার মুক্তাদিরের সাথে কথা বলেন, নিজেদের সমস্যার কথা জানান। তাদের কথা ধৈর্য্য ধরে শুনে নির্বাচিত হলে তা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে ধানের শীষের পক্ষে থাকবেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
প্রচারণাকালে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বিএনিপ চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজার, বিপণিবিতান ও শিল্প এলাকার উন্নয়ন করা হবে, যাতে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। সিলেটে নতুন বিনিয়োগ আনতে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের বিশেষভাবে সম্পৃক্ত করা হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বের করা হবে। অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল সেবার প্রসার ব্যবসাবান্ধব নগরী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশ মানেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এর মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং সিলেটের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেটকে একটি প্রাণবন্ত ও ব্যবসাবান্ধব নগরীতে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট চেম্বারের সাবেক সিনিয়ন সহ-সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলার মহাসচিব আব্দুর রহমান রিপন, সাবেক কাউন্সিলর মজিবুর রহমান শওকত, মোহাম্মদ আমিজুজ্জামান চৌধুরী দুলু, মোঃ হোসেন আহমদ, মোহাম্মদ জলিল মিয়া, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, জিয়াউদ্দিন জিয়া, মোঃ মনজুর আহমদ, মোঃ জাকারিয়া, মহিবুর রহমান মহিব, মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আতাউর রহমান রজব, অ্যাডভোকেট সাঈদুর রহমান জিবেব, মোহাম্মদ লায়েক মিয়া, রুমেল আহমদ, মোহাম্মদ রিয়াজ আহমেদ, জামিল আহমেদ, মোহাম্মদ জায়েদ মিয়া, মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ সাদ মিয়া, মোহাম্মদ রুপন আহমেদ, মোহাম্মদ আনোয়ার মিয়া, সাজান মিয়া, এনামুল কুদ্দুস এনাম, মোহাম্মদ রবি খন্দকার, সুয়েব আহমদ অভি, মোঃ আনিস মিয়া প্রমুখ।



