মেয়েরা পিছিয়ে থাকলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া কঠিন-উপাচার্য ড. এ. এস. এম আমানুল্লাহ

সিলেট পোস্ট ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ২৭ মে ২০২৫, ৭:২৮ পূর্বাহ্ণজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. এস. এম আমানুল্লাহ বলেছেন, নারীদের উচ্চ শিক্ষা বিকাশে সিলেটে লতিফা শফি মহিলা ডিগ্রি কলেজ অনন্য ভূমিকা পালন করছে। প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থীর এই প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে দেশের একটি অন্যতম নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে পুরুষের পাশাপাশি নারীর ভূমিকা অপরিসীম। এই চিন্তা থেকে এই অঞ্চলের আলোকিত পরিবারের সন্তান সাবেক এমপি শফি আহমদ চৌধুরী এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তার এবং আমাদের স্বপ্ন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। মেয়েরা পিছিয়ে থাকলে এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা কঠিন। তিনি মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা বিকাশে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে কলেজের শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।
সোমবার (২৬ মে) লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ আয়োজিত এক মতবিনিয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
কলেজের অধ্যক্ষ মো. আমিরুল আলম খান এর সভাপতিত্বে ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. জাফরুল আলম, পরিচালক ও সচিব মো. আমিনুল আক্তার, পরিচালক মো. শফিউল করিম, মো. জসিম উদ্দিন, মো. মোসলেম উদ্দিন, মো. আবু হুরায়রা, হবিগঞ্জ আঞ্চলিক অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক এম এ সালাম এবং জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্টার মো. কামাল উদ্দিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন লতিফা-শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো: মিজানুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মো: ফখরুল ওয়াহেদ চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক সুহেনাজ তাজগেরা, সহকারী অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, সহকারী অধ্যাপক তপতী রায়, সহকারী অধ্যাপক শেখ মো: আব্দুর রশিদ, সহকারী অধ্যাপক বিশ^জিত দেব, সহকারী অধ্যাপক মো: আবু হানিফ, সহকারী অধ্যাপক শক্তি রানী সরকার, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক নন্দ কিশোর রায় প্রমুখ।
এর আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ. এস. এম আমানুল্লাহ কলেজ ক্যাম্পাসে পৌঁছালে প্রিন্সিপাল মো. আমিরুল আলম খানসহ শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। তিনি ক্যাম্পান পরিদর্শন করেন। এসময় অধ্যক্ষ কলেজের বিভিন্ন সমস্যা এবং সম্ভাবনার কথা উপচার্যকে অবহিত করেন। ড. এ. এস. এম আমানুল্লাহ এই কলেজের উন্নয়নে তার পক্ষ থেকে সম্ভব সবকিছু করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।