সংবাদ শিরোনাম
দক্ষিণ সুরমায় মেয়েকে ফিরে পেতে এক পিতার আকুতি  » «   বানারীপাড়ায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক দূর্দান্ত প্রতারক রঞ্জন গ্রেফতার  » «   দক্ষিন সুরমার সুলতানপুর-গহরপুর সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ৩  » «   সাংবাদিক অজয় পালের প্রতিকৃতিতে সিলেটের সর্বস্থরের নাগরিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   ঐতিহ্যবাহী ‘মাছের মেলা’ শেরপুরে হাজারো মানুষের ঢল  » «   দক্ষিণ সুমরার বাইপাস এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত  » «   আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়ে গড়ে উঠছে: মন্ত্রী ইমরান  » «   আওয়ামীলীগের বিদায় নিশ্চিত করে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্টা করতে হবে :কাইয়ুম চৌধুরী  » «   অবকাঠামো উন্নয়ন এর মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজ করতে হবে-প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ  » «   ছাতকে অধ্যক্ষ অপসারণের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছে ছাত্রলীগ  » «   দোয়ারাবাজারে বিজিবি’র অভিযানে চৌদ্দ লক্ষ টাকা উদ্ধার  » «   দোয়ারাবাজারে চিলাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন! ২টিড্রেজার মেশিনসহ বালু জব্দ  » «   কুলাউড়ায় ৩ কেজি গাঁজাসহ ১জনকে আটক করেছে পুলিশ  » «   প্রধানমন্ত্রীর নতুন স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশে কেউ পিছিয়ে থাকবেনা : জেলা প্রশাসক  » «   শীত বস্ত্র কম্বল বিতরণ করেছে মানবাধিকার ও অনুসন্ধান কল্যাণ সোসাইটি  » «  

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে অক্সিজেন খুলে নেয়ায় এক শিশুর করুন মৃত্যু

sisuসিলেটপোস্টরিপোর্ট:হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে অক্সিজেন খুলে নেয়ার কারণে আকালেই ঝড়ে গেল ১০ মাসের শিশু মারিয়ায় প্রাণ। অভিযোগ কর্তব্যরত আয়ার বিরুদ্ধে। মাত্র ৩০ টাকার কারণেই নাকি অক্সিজেন খুলে নিয়ে যায় ওই আয়া। সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে এমনই অভিযোগ করেন শিশু মারিয়ার পিতা ফারুক মিয়া। সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার শিশু কন্যা মারিয়া কে অসুস্থ অবস্থায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয় গতকাল দুপুরে। গতকাল সন্ধ্যায় মারিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে অক্সিকেজন দেন কর্ত্যরত চিকিৎসক। কিন্ত অক্সিজেন দেয়ার কিছুক্ষন পরে শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা আয়া মাধবী ওই অক্সিজেনটি খুলে নেন। অক্সিজেন খুলে নেয়ার সাথে সাথে মৃত্যুর খুলে ঢলে পরে শিশু মারিয়া। কিছুক্ষন পরেই তার মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে আয়া মাধবী ৩০ টাকার বিনিময়ে নাকি অক্সিজেনটি খুলে নিয়ে অন্য এক রোগীকে দিয়ে দেয়। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দেয় তাদের আত্মীয় স্বজনদের। এদিকে শিশু মারিয়ার মৃত্যুতে সদর হাসপাতালে কান্নায় ভেঙ্গে পরে মারিয়ার মা ও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় অক্সিজেন কম হওয়ায় এক রোগীর পর অন্য রোগীকে অক্সিজেন দেয়া হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.