সংবাদ শিরোনাম
তৃতীয় দফা বন্যার মুখোমুখি সুনামগঞ্জের হাওরপাড়ের লাখ লাখ মানুষজন  » «   বন্যায়ও থেমে নেই ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা চিনির চোরাচালান  » «   সিলেটে নতুন পুলিশ সুপার এর যোগদান  » «   র‌্যাব সদস্যরা দেশের যেকোন সংকটময় মূহুূর্তে সব সময়ই জনগনের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে -র‌্যাব মহাপরিচালক  » «   সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য একজন গানম্যান নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   গুজব আতঙ্কে গোলাপগঞ্জে ছেলে ধরা সন্দেহে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ  » «   সুনামগঞ্জে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  » «   কৃষকরা এ দেশের প্রাণ: প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী  » «   নবীগঞ্জের এক শিশু লেখা পড়া করে শিক্ষিত হতে চায়- টাকার অভাবে স্কুল ফাঁকি দিয়ে শাক- সবজি বিক্রয় করছে!  » «   এমএ হকের ৪র্থ মৃত্যুবাষির্কীতে মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল  » «   ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করা না হলে দেশ চরম অস্থিত্ব সংকটে পড়বে : কাইয়ুম চৌধুরী  » «   যৌতুক মামলায় নবীগঞ্জের বঙ্গবন্ধু একাডেমির শিক্ষক আবুল হাসান জেল হাজতে  » «   বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় নগর বিএনপি দোয়া মাহফিল অব্যাহত  » «   ওসমানীনগরে শশুর বাড়িতে প্রান গেল জামাতার  » «   দক্ষিণ সুরমায় বিআরটিএ এর অভিযান, ৫ চালককে জরিমানা  » «  

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে অক্সিজেন খুলে নেয়ায় এক শিশুর করুন মৃত্যু

sisuসিলেটপোস্টরিপোর্ট:হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে অক্সিজেন খুলে নেয়ার কারণে আকালেই ঝড়ে গেল ১০ মাসের শিশু মারিয়ায় প্রাণ। অভিযোগ কর্তব্যরত আয়ার বিরুদ্ধে। মাত্র ৩০ টাকার কারণেই নাকি অক্সিজেন খুলে নিয়ে যায় ওই আয়া। সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে এমনই অভিযোগ করেন শিশু মারিয়ার পিতা ফারুক মিয়া। সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার শিশু কন্যা মারিয়া কে অসুস্থ অবস্থায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয় গতকাল দুপুরে। গতকাল সন্ধ্যায় মারিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে অক্সিকেজন দেন কর্ত্যরত চিকিৎসক। কিন্ত অক্সিজেন দেয়ার কিছুক্ষন পরে শিশু ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা আয়া মাধবী ওই অক্সিজেনটি খুলে নেন। অক্সিজেন খুলে নেয়ার সাথে সাথে মৃত্যুর খুলে ঢলে পরে শিশু মারিয়া। কিছুক্ষন পরেই তার মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে আয়া মাধবী ৩০ টাকার বিনিময়ে নাকি অক্সিজেনটি খুলে নিয়ে অন্য এক রোগীকে দিয়ে দেয়। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দেয় তাদের আত্মীয় স্বজনদের। এদিকে শিশু মারিয়ার মৃত্যুতে সদর হাসপাতালে কান্নায় ভেঙ্গে পরে মারিয়ার মা ও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশু ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় অক্সিজেন কম হওয়ায় এক রোগীর পর অন্য রোগীকে অক্সিজেন দেয়া হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.