মানুষের কল্যাণে যারা কাজ করেন তাদের জন্যই পৃথিবীটা আজ অনেক সুন্দর : জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান

সিলেট পোস্ট ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ৩১ জানুয়ারি ২০২৪, ১১:৫২ অপরাহ্ণসিলেটপোস্ট ডেস্ক::সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জালালাবাদ অন্ধ কল্যাণ সমিতির সভাপতি শেখ রাসেল হাসান বলেছেন, আল্লাহর সন্তুুষ্ঠি অর্জনে মানুষের কল্যাণে যারা কাজ করেন তাদের জন্যই পৃথিবীটা আজ অনেক সুন্দর। সমাজ হিতৈষী ব্যক্তিত্বরা তাঁদের অর্জিত সম্পদ অসহায় দরিদ্র মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন। সেই সকল হৃদয়বান ব্যক্তিত্বদের দানে অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে জালালাবাদ অন্ধকল্যাণ সমিতি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জালালাবাদ চক্ষু হাসপাতালের কার্যক্রম আরো বেগবান করার লক্ষে সমাজের সকল বিত্তবান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তিনি বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট নগরীর মেজরটিলা ইসলামপুরস্থ জালালাবাদ অন্ধ কল্যাণ সমিতির কনফারেন্স হলে সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৩ এ সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
শুরুতে সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুফতি মোহাম্মদ হাসান বিগত সভার কার্যবিরণী পাঠ শেষে ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন, অডিট প্রতিবেদন এবং ২০২৪ সালের বাজেট উপস্থাপন করেন। সমিতির আয়-ব্যয় এর হিসাব পেশ করেন কোষাধ্যক্ষ মাহবুব ছোবহানী চৌধুরী।
প্রতিবেদনের উপর আলোচনা অংশ গ্রহণ করেন ও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহ সভাপতি, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, সমিতির সহ-সভাপতি সাংবাদিক কলামিষ্ট আফতাব চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর জব্বার জলিল, কার্যকরী কমিটির সদস্য এমাদউল্লাহ শহিদুল ইসলাম শাহিন এডভোকেট, সৈয়দ মো: আবু সাদেক, আলিমুছ সাদাত চৌধুরী, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, এডভোকেট সৈয়দ কাওছার আহমদ, এ.কে.এম আহাদুস সামাদ, এডভোকেট মো: বদরুল হোসেন, জীবন সদস্য প্রিন্সিপাল এম আতাউর রহমান পীর, মো: রিয়াজুল ইসলাম, ডা: মো: আবুল হাশেম চৌধুরী, মো: রুহুল আলম খাঁন, সিদ্দিকী আফজাল, ইকবাল আহমেদ সিদ্দিকী, মো: কাপ্তান হোসেন, মো: রেজা চৌধুরী, অধ্যাপক সাব্বির আহমদ, অধ্যক্ষ মো: সাখাওয়াত হোসেন আজাদ।
এছাড়াও সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: শাহ আলম, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো: পিংকু আব্দুর রহমান, আতিকুর রহমান সহ হাসপাতাল ও সমিতির অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন মো: আব্দুল হাসান।
বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে জালালাবাদ চক্ষু হাসপাতালে ৩৫ হাজার ৫ শত ৫৮০ জন রোগীকে আউটডোরে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় এবং ৭৯৫ জন রোগীর চক্ষু অপারেশন করা হয়। এর মধ্যে ১ জন রোগীর ফ্রি চক্ষু অপারেশন করা হয়। এছাড়াও ১২টি চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়।