সিলেটের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণে উদ্যোগ নেবে সিউক-কয়েস লোদী
সিলেটপোস্ট ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সিলেটকে একটি আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি শহরের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক) বিশেষ উদ্যোগ নেবে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সিউক-এর সভাকক্ষে আয়োজিত চার দিনব্যাপী অংশীজন সভার দ্বিতীয় দিনে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান সিউক চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
সভাপতির বক্তব্যে কয়েস লোদী বলেন, “সিলেট আমাদের প্রাণের শহর। এ নগরীকে দৃষ্টিনন্দন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পিত নগর অবকাঠামোর মূল ভিত্তিই হলো নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিবেশবান্ধব স্থাপত্য নকশা। সিলেটের ঐতিহ্য রক্ষায় শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক স্থাপত্যসমূহ সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিউক কাজ করছে। আইএবি-র স্থপতিদের সুচিন্তিত প্রস্তাবনাসমূহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিউকের মূল মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”
সিউক-এর নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদের সঞ্চালনায় সভায় আইএবি প্রতিনিধিরা সিলেটের ঐতিহাসিক ভবন রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নান্দনিক নগর বিনির্মাণে বিভিন্ন গঠনমূলক সুপারিশ তুলে ধরেন। সিউক কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন, সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত দাস, সহযোগী অধ্যাপক তানভীর হাসান, সহকারী অধ্যাপক গৌরপদ দে, প্রভাষক ফারহা মুন, লিডিং ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মহসিন আলী, সহকারী অধ্যাপক তানজিমা সিদ্দিকা চাঁদনী, আইএবি ঢাকা-এর কোষাধ্যক্ষ চৌধুরী সাইদুজ্জামান, আইএবি সিলেটের সম্পাদক স্থপতি রাজন দাস, সিউকের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু নাছের এবং আইএবি-র বিভিন্ন পর্যায়ের স্থপতি ও প্রতিনিধিগণ।



