টিলাগড় পয়েন্টে ছাত্রলীগ কর্তৃক ছাত্রদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা
সিলেট পোস্ট ২৪ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ ডিসেম্বর ২০২১, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
সিলেটপোস্ট ডেস্ক::সিলেট এম.সি কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক আবদাল আহমদ খান এর উপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হকি স্টিক ও লাঠিসোঠা দিয়ে আক্রমণ করার অভিযোগ উঠেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্ভর) বিকাল ৪ টায় ছাত্রলীগের কিছু সন্ত্রাসীরা টিলাগড় পয়েন্টে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে জানা যায় যে, সিলেট সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদ এর নেতৃত্বে পূর্ব শত্রুতার কারনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তার উপর আক্রোশ্বান্বিত হয়ে হকি স্টিক, লাঠি সোটা দিয়ে আক্রমণ করে। তাকে বেদম মারপিট করে এবং হত্যার চেষ্টা করে। তখন স্থানীয় টিলাগড় বাজারের ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এসে তাকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাত থেকে উদ্ধার করেন।পরবর্তীতে তাকে তারা সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া ভর্তি করেন। সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাহার বাম পাঁ ভেঙ্গে গেছে বলে জানান।
এ বিষয়ে টিলাগড় বাজারের ব্যবসায়ী খায়রুল হাসান আনহার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,আহত আবদাল আহমদ খাঁন সিলেট এম.সি. কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত। সে বিভিন্ন সময় ছাত্রদলের বিভিন্ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। ছাত্রলীগের কতিপয় সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক কারণে টিলাগড় পয়েন্টে সিলেট সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদের নেতৃত্বে তার উপর হামলা করে। আমি সহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাহাকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করে এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই।
ঘটনার বিষয়ে শাহপরাণ (রহ:) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব নাসির উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন রাজনৈতিক পূর্ব শত্রুতার কারণে ছাত্রলীগের কিছু সদস্য ছাত্রদল কর্মী আবদালের উপর হামলা করেছে বলে শুনেছি। তিনি আরও জানান যে, এ ঘটনায় থানায় এখনও কোন মামলা দায়ের হয়নি।
বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে খবর নিয়ে জানা যায় যে, ২৭ নভেম্বর ২০২১ তারিখে সিলেট সরকারী কলেজে জুয়েল আহমদ নামে একজন ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়। অনুসন্ধানে জানা যায় যে, ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীন কোন্দল এর কারণে জুয়েল আহমদ নিহত হয়। পরবর্তীতে পুলিশ বাদী হয়ে শাহপরাণ (রহ:) থানায় ছাত্রলীগের বিভিন্ন সন্ত্রাসীদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। মূলত জুয়েল আহমদের হত্যার সাথে ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপের ক্যাডাররা জড়িত ছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের ক্যাডাররা নিজেদেরকে বাঁচানোর জন্য এম.সি কলেজ ও সিলেট সরকারী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর দোষ চাপাতে শুরু করে এবং তাদের বাড়ীঘরে হামলা এবং তাদেরকে হত্যার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।




