সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে অপশক্তির মোকাবেলা করতে হবে-হুইপ জি কে গউছ
সিলেটপোস্ট ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় সংসদের হুইপ, বিএনপি’র সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ বলেছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা ভারতে বসে এখনো বাংলাদেশ বিরোধী নানা অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু দেশের সচেতন জনতা ও তৃণমূল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা তার এই চক্রান্ত সফল হতে দেবে না। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে এই অপশক্তির মোকাবেলা করতে হবে। একই সাথে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর কাজির বাজার তোপখানাস্থ সিলেট মহানগর বিএনপি’র কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জি কে গউছ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সাংগঠনিক নির্দেশনা দিয়ে বলেন, সিলেট মহানগর বিএনপি’র যে সকল ওয়ার্ডের কমিটি এখনো গঠন করা হয়নি, সেগুলো অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করতে হবে। ওয়ার্ড পর্যায় হচ্ছে দলের মূল ভিত্তি। তাই যে সকল ওয়ার্ড সাংগঠনিকভাবে কিছুটা দুর্বল ও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে, সেগুলোকে চিহ্নিত শক্তিশালী করতে হবে।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কল্যাণমুখী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে হুইপ গউছ আরও বলেন, জনগণের সরকার হিসেবে এই প্রশাসন দেশ গঠনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মোয়াজ্জিন ভাতা সহ নানামুখী জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালু করেছে। এই সুযোগ-সুবিধাগুলো যেন প্রকৃত হকদার ও সাধারণ মানুষের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছায়, তা দলীয় নেতাকর্মী হিসেবে আপনাদের তদারকি ও নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের এই ইতিবাচক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচার করুন, যাতে করে বিএনপি’র প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা আরও সুদৃঢ় হয়।
সিলেট মহানগর বিএনপি’র সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সভায় সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক ও বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) মিফতাহ সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এম এ মালিক বলেন, দেশ ও দলের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদের সবাইকে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং প্রতিটি জাতীয়তাবাদী কর্মীকে জনগণের সাথে সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে নাসিম হোসাইন বলেন, আমরা ইতিমধ্যে সিলেট মহানগরের বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোর আহবায়ক কমিটি গঠন করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসকল ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ডকে শক্তিশালী করে সিলেট মহানগর বিএনপিকে একটি অভেদ্য দুর্গে পরিণত করা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগর বিএনপির সম্মানিত সদস্য আব্দুল কাইয়ুম জালালি পংখি,
বদরুজ্জামান সেলিম, এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব ও হুমায়ুন কবির শাহীন, সহ সভাপতি ডাঃ নাজমুল ইসলাম, জিয়াউল গনি আরিফিন জিল্লুর, সৈয়দ মঈন উদ্দিন সোহেল, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, মাহবুব কাদির শাহী, আমির হোসেন,
এডভোকেট শাহ আশরাফুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সাদিক, ডাঃ আশরাফ আলী, আব্দুল হাকিম, আফজাল উদ্দিন,আব্দুর রহিম মল্লিক ও জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজিবুর রহমান নজিব, মুর্শেদ আহমদ মুকুল, শামীম মজুমদার, মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন,মাহবুবুল হক চৌধুরী, শুয়াইব আহমদ শোয়েব, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, রেজাউল করিম আলো, আক্তার রশিদ চৌধুরী, মঞ্জুরুল হাসান মঞ্জু, মতিউল বারী খুর্শেদ, নাদির খান ও আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জাকির হোসেন মজুমদার, রফিকুল ইসলাম রফিক, দেওয়ান জাকির ও খসরুজ্জামান খসরু, কোতোয়ালি থানা বিএনপির আহবায়ক ওলিউর রহমান চৌধুরী সুহেল, জালালাবাদ থানা বিএনপির আহবায়ক শহীদ আহমদ, শাহপরান থানা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল মুনিম ও সদস্য সচিব খুর্শেদ আহমদ খুশু, বিমানবন্দর থানার আহবায়ক আব্দুল কাদির সমছু ও সদস্য সচিব সৈয়দ সারোয়ার রেজা, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ এনামুল হক ও সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ, মোগলা বাজার থানা বিএনপির আহবায়ক আবুল হাসনাত ও সদস্য সচিব জামাল আহমদ, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা সম্রাট, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আফসর খান, মহানগর তাঁতীদলের আহবায়ক কয়েস আহমদ ও সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম বেলাল, উলামাদলের আহবায়ক মাওলানা মঈন উদ্দিন ফয়েজ ও সদস্য সচিব মাওলানা মাসুদ আহমেদ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যুতি এষ ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি আহসান, শ্রমিক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ ও সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম জীবন সহ সিলেট মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।




