সংবাদ শিরোনাম
তৃতীয় দফা বন্যার মুখোমুখি সুনামগঞ্জের হাওরপাড়ের লাখ লাখ মানুষজন  » «   বন্যায়ও থেমে নেই ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা চিনির চোরাচালান  » «   সিলেটে নতুন পুলিশ সুপার এর যোগদান  » «   র‌্যাব সদস্যরা দেশের যেকোন সংকটময় মূহুূর্তে সব সময়ই জনগনের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে -র‌্যাব মহাপরিচালক  » «   সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য একজন গানম্যান নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   গুজব আতঙ্কে গোলাপগঞ্জে ছেলে ধরা সন্দেহে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ  » «   সুনামগঞ্জে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  » «   কৃষকরা এ দেশের প্রাণ: প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী  » «   নবীগঞ্জের এক শিশু লেখা পড়া করে শিক্ষিত হতে চায়- টাকার অভাবে স্কুল ফাঁকি দিয়ে শাক- সবজি বিক্রয় করছে!  » «   এমএ হকের ৪র্থ মৃত্যুবাষির্কীতে মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল  » «   ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করা না হলে দেশ চরম অস্থিত্ব সংকটে পড়বে : কাইয়ুম চৌধুরী  » «   যৌতুক মামলায় নবীগঞ্জের বঙ্গবন্ধু একাডেমির শিক্ষক আবুল হাসান জেল হাজতে  » «   বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় নগর বিএনপি দোয়া মাহফিল অব্যাহত  » «   ওসমানীনগরে শশুর বাড়িতে প্রান গেল জামাতার  » «   দক্ষিণ সুরমায় বিআরটিএ এর অভিযান, ৫ চালককে জরিমানা  » «  

একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়!

kkkkkসিলেটপোস্ট রিপোর্ট : ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের পেচাংগীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে অভিভাবকরা হতাশ! বিস্কুট বিতরণ আর নাম ডেকেই চলে যায় সময়। মাত্র ১জন শিক্ষক। ২৫২জনের চলছে পাঠদান। নিশ্চুপ শিক্ষা বিভাগ! পাঠ কার্যক্রম নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা অসন্তোষ। শত স্বপ্নের ঘটচ্ছে মৃত্যু! ঝুঁকিপূর্ণ ভবন প্রধান শিক্ষক মো. ইমাম হোসেন একমাত্র ভরসা। প্রধান শিক্ষক জানান, এ বিদ্যালয়ে ৪জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। স্বামীর সঙ্গে উজবিকিস্থানে চলে যাওয়ায় সহকারি শিক্ষক অযুদা বেগম ২৮নভেম্বর/১৩ইং তারিখ থেকে অনুপস্থিত। সহকারি শিক্ষক শিউলী আক্তার বিপিএড প্রশিক্ষণে আর মাতৃত্ব ছুটিতে রয়েছে সহকারী শিক্ষক সুলতানা বেগম। বিদ্যালয়টিতে শিশু শ্রেণিতে ২৮জন, ২য় শ্রেণিতে ৪১জন, ৩য় শ্রেণিতে ৩৫জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ২০জন ও ৫ম শ্রেণিতে ১৪জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় প্রতিবছর কমচ্ছে শিক্ষার্থী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নির্মিত বিদ্যালয়ের ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ। ভিমে ফাটল ধরেছে। পলেস্তার ধসে পড়চ্ছে। অভিভাবকরা জানান, সকালের শিফটে শিশু শ্রেণি, ১ম ও ২য় শ্রেণির ৩টি ক্লাস ও বিকালের শিফটে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। ১জন শিক্ষক তাদের নাম ডাকা ও বিস্কুট বিতরণ করতে করতেই সময় শেষ হয়ে যায়। পাঠদানের সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাশক্তি ধ্বংস হচ্ছে। ঘটচ্ছে স্বপ্নের মৃত্যু! শিক্ষক সংকটের কারণে ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে উল্লেখ করে ম্যানেজিং কমিটি সভাপকি মো. আজিজুল হক জানান, দ্রুত শিক্ষক সমস্যা সমাধানের জন্য স্বশরীরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিকট গিয়ে আবেদন করেছি। অভিভাবক আব্দুল হামিদ জানান, আমরার পুলাপান যাতে মানুষ না হতে পারে, সেই ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। ক্লাস রুমে কথা বলার সময় ভবনের ছাদের পলেস্তার ধসে আহত হয় ২জন ছাত্র। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহির উদ্দিন জানান, ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.