সংবাদ শিরোনাম
দোয়ারাবাজারে কেন্দ্র ফি’র নামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়  » «   তাহিরপুরে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে প্রধান শিক্ষকের টালবাহানা   » «   দোয়ারাবাজারে সরকারি ভাতা দেওয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারককে জরিমানা  » «   মৌলভীবাজারের জুড়িতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ দুইজন গ্রেফতার  » «   দোয়ারাবাজারে বিদেশী মদের চালানসহ মাদক কারবারি আটক  » «   সুনামগঞ্জের তিন উপজেলার ১৫টি স্পটে চলছে সহশ্রাধিক অবৈধ ক্রাশার মেশিনের তান্ডব  » «   সুনামগঞ্জে পিতা ও কন্যার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের  » «   সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  » «   সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার  » «   নবীগঞ্জে যুদ্বাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মিয়া আমাদের মধ্যে আর নেই! রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাপন  » «   জুড়ীতে ফেনসিডিল ও ইয়াবাসহ আটক ১  » «   ছাতকে আবুল হোসেনকে পরিকল্পিত হত্যা নাকি অন্য কারণ?প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা   » «   দোয়ারাবাজারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত   » «   তাহিরপুরে রাতের আঁধারে কৃষকের জমির ধান কেটে নিল প্রতিপক্ষের লাঠিয়াল বাহিনী   » «   ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে অ্যাম্বুলেন্স ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ আহত ৭, আশংখাজনক ভাবে ৫জনকে সিলেট প্রেরন  » «  

একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়!

kkkkkসিলেটপোস্ট রিপোর্ট : ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের পেচাংগীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে অভিভাবকরা হতাশ! বিস্কুট বিতরণ আর নাম ডেকেই চলে যায় সময়। মাত্র ১জন শিক্ষক। ২৫২জনের চলছে পাঠদান। নিশ্চুপ শিক্ষা বিভাগ! পাঠ কার্যক্রম নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা অসন্তোষ। শত স্বপ্নের ঘটচ্ছে মৃত্যু! ঝুঁকিপূর্ণ ভবন প্রধান শিক্ষক মো. ইমাম হোসেন একমাত্র ভরসা। প্রধান শিক্ষক জানান, এ বিদ্যালয়ে ৪জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। স্বামীর সঙ্গে উজবিকিস্থানে চলে যাওয়ায় সহকারি শিক্ষক অযুদা বেগম ২৮নভেম্বর/১৩ইং তারিখ থেকে অনুপস্থিত। সহকারি শিক্ষক শিউলী আক্তার বিপিএড প্রশিক্ষণে আর মাতৃত্ব ছুটিতে রয়েছে সহকারী শিক্ষক সুলতানা বেগম। বিদ্যালয়টিতে শিশু শ্রেণিতে ২৮জন, ২য় শ্রেণিতে ৪১জন, ৩য় শ্রেণিতে ৩৫জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ২০জন ও ৫ম শ্রেণিতে ১৪জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় প্রতিবছর কমচ্ছে শিক্ষার্থী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নির্মিত বিদ্যালয়ের ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ। ভিমে ফাটল ধরেছে। পলেস্তার ধসে পড়চ্ছে। অভিভাবকরা জানান, সকালের শিফটে শিশু শ্রেণি, ১ম ও ২য় শ্রেণির ৩টি ক্লাস ও বিকালের শিফটে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। ১জন শিক্ষক তাদের নাম ডাকা ও বিস্কুট বিতরণ করতে করতেই সময় শেষ হয়ে যায়। পাঠদানের সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাশক্তি ধ্বংস হচ্ছে। ঘটচ্ছে স্বপ্নের মৃত্যু! শিক্ষক সংকটের কারণে ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে উল্লেখ করে ম্যানেজিং কমিটি সভাপকি মো. আজিজুল হক জানান, দ্রুত শিক্ষক সমস্যা সমাধানের জন্য স্বশরীরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিকট গিয়ে আবেদন করেছি। অভিভাবক আব্দুল হামিদ জানান, আমরার পুলাপান যাতে মানুষ না হতে পারে, সেই ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। ক্লাস রুমে কথা বলার সময় ভবনের ছাদের পলেস্তার ধসে আহত হয় ২জন ছাত্র। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহির উদ্দিন জানান, ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.