সংবাদ শিরোনাম
শান্তিগঞ্জের কান্দিগাঁও গ্রামে বাচ্চাদের ঝগড়া নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলায় দুই ছাত্রীসহ ৩জন আহত  » «   বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী : প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী  » «   রমজান উপলক্ষে জুলকার নায়েন ফাউন্ডেশন দোয়ার বই ও খেজুর বিতরণ  » «   ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মানবাধিকার ও অনুসন্ধান কল্যাণ সোসাইটি  » «   মাদানী ইস্যুকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে হামলা ভাংচুর, আটক ৫; পুলিশের ২৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি  » «   সুনামগঞ্জে ইয়াকুবিয়া দাখিল মাদ্রাসার পুস্তক পাচারের সময় পিকআ্পভ্যান বোঝাই পুস্তক আটক  » «   ভাষার মর্যাদাপূর্ণ ব্যবহার সমাজে শান্তি-শৃংঙ্খলা বজায় রাখে -ইমরান আহমদ এমপি  » «   সুনামগঞ্জে ইয়াকুবিয়া দাখিল মাদ্রাসার পুস্তক পাচারের সময় পিকআ্পভ্যান বোঝাই পুস্তক আটক  » «   পাথর কোয়ারী সচলের বিষয়ে সরকারের বিশেষ বিবেচনাধীন রয়েছে-প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ  » «   জৈন্তাপুরে পৃথক ৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন  » «   জৈন্তাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান  » «   বালাগঞ্জে অবৈধভাবে বিল সেচ, ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছ, কৃষকেরা সংকিত  » «   সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে পোশাক বিতরণ করল মানবাধিকার ও অনুসন্ধান কল্যাণ সোসাইটি  » «   নিউইয়র্কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসী দম্পতি নিহত  » «   মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সহযোগিতার আহবান -ওসি তাজুল ইসলাম (পিপিএম)  » «  

একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়!

kkkkkসিলেটপোস্ট রিপোর্ট : ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের পেচাংগীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে অভিভাবকরা হতাশ! বিস্কুট বিতরণ আর নাম ডেকেই চলে যায় সময়। মাত্র ১জন শিক্ষক। ২৫২জনের চলছে পাঠদান। নিশ্চুপ শিক্ষা বিভাগ! পাঠ কার্যক্রম নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা অসন্তোষ। শত স্বপ্নের ঘটচ্ছে মৃত্যু! ঝুঁকিপূর্ণ ভবন প্রধান শিক্ষক মো. ইমাম হোসেন একমাত্র ভরসা। প্রধান শিক্ষক জানান, এ বিদ্যালয়ে ৪জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। স্বামীর সঙ্গে উজবিকিস্থানে চলে যাওয়ায় সহকারি শিক্ষক অযুদা বেগম ২৮নভেম্বর/১৩ইং তারিখ থেকে অনুপস্থিত। সহকারি শিক্ষক শিউলী আক্তার বিপিএড প্রশিক্ষণে আর মাতৃত্ব ছুটিতে রয়েছে সহকারী শিক্ষক সুলতানা বেগম। বিদ্যালয়টিতে শিশু শ্রেণিতে ২৮জন, ২য় শ্রেণিতে ৪১জন, ৩য় শ্রেণিতে ৩৫জন, ৪র্থ শ্রেণিতে ২০জন ও ৫ম শ্রেণিতে ১৪জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় প্রতিবছর কমচ্ছে শিক্ষার্থী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নির্মিত বিদ্যালয়ের ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ। ভিমে ফাটল ধরেছে। পলেস্তার ধসে পড়চ্ছে। অভিভাবকরা জানান, সকালের শিফটে শিশু শ্রেণি, ১ম ও ২য় শ্রেণির ৩টি ক্লাস ও বিকালের শিফটে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। ১জন শিক্ষক তাদের নাম ডাকা ও বিস্কুট বিতরণ করতে করতেই সময় শেষ হয়ে যায়। পাঠদানের সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের ইচ্ছাশক্তি ধ্বংস হচ্ছে। ঘটচ্ছে স্বপ্নের মৃত্যু! শিক্ষক সংকটের কারণে ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে উল্লেখ করে ম্যানেজিং কমিটি সভাপকি মো. আজিজুল হক জানান, দ্রুত শিক্ষক সমস্যা সমাধানের জন্য স্বশরীরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিকট গিয়ে আবেদন করেছি। অভিভাবক আব্দুল হামিদ জানান, আমরার পুলাপান যাতে মানুষ না হতে পারে, সেই ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। ক্লাস রুমে কথা বলার সময় ভবনের ছাদের পলেস্তার ধসে আহত হয় ২জন ছাত্র। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহির উদ্দিন জানান, ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.