বিয়ানীবাজার সহকারী (ভূমি) অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির পাহাড়
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ জুলাই ২০২৫, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের মিউটেশন কাম- সার্টিফিকেট সহকারী ও শিক্ষা নবীশ মিউটেশন কাম কম্পিউটার অপারেটর দিলদার হোসেন বিগত ছয় সাত মাস আগে গোয়াইনঘাট উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পিয়ন ছিলো, সালুঠিকর থাকা অবস্থায় সেই অফিসে অনেক অনিয়ম দুর্নীতি করিয়া আসিতেছে বিধায় তাৎক্ষণিক বদলি করা হয় তারপর নতুন নিয়োগের মাধ্যমে বিয়ানীবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে শিক্ষা নবীশ ও অফিস সহকারী হিসাবে নতুন নিয়োগে চাকুরীতে আসেন |
বিয়ানীবাজার আসার পর থেকে সাধারণ মানুষকে অনেক হয়রানি করিতেছেন কোন কাগজপত্র পরামর্শের জন্য গেলেই শুধু টাকা পয়সা দাবি করেন । টাকা পয়সা না দিলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করেন। ১ নং আলীনগর ইউনিয়নের একজন বয়স্ক বৃদ্ধ মুরব্বি বলেন ১৬/০৬/২০২৫ ইং রোজ সোমবার উনি একটা ফর্সা তোলার জন্য ভূমি অফিসে গেলে উনি টাকা পয়সা দাবি করেন, কিন্তু উনি আলীনগর ইউনিয়ন থেকে আশায় উনার সাথে গাড়ি ভাড়া ও সামান্য টাকা ছিল। শেষ পর্যন্ত ৫০০ টাকা না দিলে উনি মুরব্বির সাথে খারাপ আচরণ করে ফর্সা উঠাইতে দেন নাই।
আরো দুবাগ ইউনিয়নের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহত যুবনেতা তাজিম আহমদ চৌধুরীর মৌজা বড়গ্রাম জে এল নম্বর ৭৪ তাজিম আহমদ চৌধুরীর মৌরসী ভূমি এই ভূমি ঝাল জালিয়াতি করিয়া অন্য মালিকের নামে সেলিম উদ্দিনের নামে নামজারি করাইয়া দেন।
তাজিম আহমদ চৌধুরী ডিসি অফিসের মাধ্যামে নকল কাগজ পত্র উঠাইয়া মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
যেখানে সরকারের নির্ধারিত নামঝারি ফিস হচ্ছে ১, ১৭০/ টাকা সেইখানে দিলদার হোসেনের সাথে টাকার কন্টাক না করলে সাধারন মানুষের কোন কাজ হয় না। আরো উওভাগ মৌজার নাদিয়া চৌধুরী মনির একটা নামঝারী ছিলো এই নামঝারী বাবত ২৫,০০০/ হাজার টাকা নেন দিলদার হোসেন এবং নামঝারী আবেদনের মোবাইল নম্বররে ফোন দিয়ে ভূমি অফিসে আসা লাগবে তারপর পাবলিক আসার পর মোটা অংকের টাকা দাবী করেন স্যারকে দেওয়া লাগবে টাকা না দিতে পারলে নামঝারী বাতিল করাইয়া দেন দিলদার হোসেন।
বিয়ানীবাজার উপজেলা সহকারী (ভূমি) অফিসের এক আতঙ্কের নাম দিলদার হোসেন! টাকা দিলে কাজ হয় টাকা না দিলে কাজ হয় না।সাধারণ ভুক্তভোগী মানুষ এই দিলদার হোসেনের কাছে খুবই অসহায়।




