সংবাদ শিরোনাম
সিলেটের ওসমানীনগরে মা-মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ  » «   জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির অযৌক্তিক সিদ্বান্ত-বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল  » «   দেশের সংকট নিরসনের জন্য আওয়ামীলীগকে বিতাড়িত করার বিকল্প নেই :খন্দকার মুক্তাদির  » «   চুনারুঘাটে ছেলের হাতে মা খুন,ছেলে আটক  » «   জৈন্তাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   দোয়ারাবাজারে ভারতীয় মালামালসহ আটক ২   » «   ওসমানীনগর থানার ওসি অথর্ব ও দুর্নীতিবাজ-মোকাব্বির খান এমপি  » «   ভোলায় পুলিশী ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সিলেটে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল  » «   সিলেটে ঘুষ ছাড়া সহজে কারো পাসপোর্ট হয়না: ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠি  » «   সুনামগঞ্জে জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা  » «   জামালগঞ্জে জামায়াতের আমীর দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র জিহাদি বইসহ ২জন আটক-মামলা  » «   সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু  » «   জৈন্তাপুর সীমান্তের ডিবির হাওর এলাকায় ৪৮ বিজিবি’র মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত  » «   ওসমানীনগরে সাংবাদিকের বাড়িতে কর্মরত যুবকের লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার  » «   দোয়ারাবাজারে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু  » «  

শিশু সাঈদ হত্যা: আদালতে যা বললেন মা সালেহা

3.jpegসিলেটপোস্ট রিপোর্ট :সিলেটে ৯ বছরের শিশু সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। গত ১৯ নভেম্বর আদালতে সাঈদের বাবা মতিন মিয়াসহ সাক্ষ্য দেন চারজন। রবিবার (২২ নভেম্বর) সাঈদের মা সালেহা বেগমসহ আরো ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।আদালত সূত্র জানায়, সাক্ষ্য প্রদানকালে সাঈদের মা সালেহা বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে বক্তব্য রেখেছেন। আদালতে তিনি বলেছেন, ‘আবু সাঈদ আমার মেঝো ছেলে। ঘটনার আগের দিন অর্থাৎ গত ১০ মার্চ স্বামীসহ আমি, আমার বড় মেয়ে সাউদা মতিন (১২), ভিকটিম আবু সাঈদ (৯) ও ছোট ছেলে আবু সাফী (৫) আমার মায়ের বাসা ৭৩ এভারগ্রীন, ঝেরঝেরি পাড়ায় যাই। আমার ভাড়া করা বাসা বসুন্ধরা ৭৪/বি দর্জিবন্দ, রায়নগর থেকে আমার মায়ের ভাড়া করা বাসা ৭৩ এভারগ্রীন, ঝেরঝেরি পাড়ার দুরত্ব এক কিলোমিটারের কাছাকাছি। মূলত আমার প্রবাসী ভাই কবির দেশে আসার সুবাদে আমরা সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। রাতের খাবার শেষে আমার স্বামী মতিন মিয়া ছেলে আবু সাঈদকে নিয়ে নিজেদের বাসায় চলে যায়।’‘পরদিন যোহরের পর সাঈদের বাবা আমার মায়ের বাসায় এসে তাকে (সাঈদ) না দেখে সে কোথায় তা জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, সাঈদ ওইদিন (১১ মার্চ) সকাল ১১টায় দর্জিবন্দস্থ নিজ বাসা থেকে আমার মায়ের বাসা ঝেরঝেরি পাড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছে। এসময় আমি তাকে (মতিন মিয়া) জানাই, সাঈদ এখানে আসেনি।’আদালতে সাঈদের মা আরো বলেন, ‘এরপর আমরা সবাই সাঈদের খোঁজে বের হই। একপর্যায়ে জানতে পারি, সাঈদ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাসার পাশ্ববর্তী রাজিয়া ভেরাইটিজ স্টোর থেকে ১৮ টাকায় একটি আইসক্রিম ক্রয় করে। সন্ধ্যার পরও সাঈদের খোঁজ না পাওয়ায় আমরা মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করি এবং থানায় জিডি দায়ের করি। পরে মামলার আসামিরা ফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাইলে মামলা রুজু হয়। ১৪ মার্চ পুলিশ এবাদুর নামক এক কনস্টেবলকে গ্রেফতার করে। ওই কন্সটেবলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার ভাড়া করা বাসা ঝেরঝেরি পাড়া সবুজ ৩৭ এর তৃতীয় তলার সিঁড়ির কাছের কক্ষ থেকে আমার ছেলে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।’‘কনস্টেবল এবাদুর একসময় আমাদের সাথে রায়নগরে সাবলেট হিসাবে পরিবারসহ বাস করতো। আমার ছেলে-মেয়েরা তাকে মামা বলে ডাকতো।’
আদালত সূত্র জানায়, সাঈদের মা কান্নাজড়িত কন্ঠে তার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.