সংবাদ শিরোনাম
সিলেটে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী যারা  » «   শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে পারলে তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জল হবে-প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান  » «   নবীগঞ্জে বাস- সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১-আহত ৫  » «   নবীগঞ্জে আগুনে পুড়ে ১টি বসত ঘর ছাই! প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি  » «   সিলেটে হিটস্ট্রোকে শফিকুল ইসলাম নামে এক পথচারি মারা গেছেন  » «   সাংবাদিকের উপর হামলা: চেয়ারম্যান কারাগারে  » «   সিলেটে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ  » «   সুনামগঞ্জের ডলুরায় ব্যবসায়ীর উপর হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিন জন  » «   তিন দিনের সফরে সিলেট আসছেন প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী  » «   সিসিকের হোল্ডিং ট্যাক্স সাধারণ মানুষের উপর ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’-সিলেট জেলা বিএনপির   » «   প্রেমের টানে চলে আসা দুই সন্তানের জননী খাসিয়া নারীকে ভারতে ফেরত  » «   সিলেটে বিএনপির আরো ১৫ নেতা-নেত্রী বহিস্কার  » «   হুট করেই ছুটি বাতিল করায় পক্ষে বিপক্ষে শনিবারের ক্লাস নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।  » «   মহান মে দিবসে সিলেট সদর উপজেলা বিল্ডিং নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালি  » «   উত্তরপূর্ব পত্রিকার কম্পিউটার ইনচার্জে রলাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের  » «  

শিশু সাঈদ হত্যা: আদালতে যা বললেন মা সালেহা

3.jpegসিলেটপোস্ট রিপোর্ট :সিলেটে ৯ বছরের শিশু সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। গত ১৯ নভেম্বর আদালতে সাঈদের বাবা মতিন মিয়াসহ সাক্ষ্য দেন চারজন। রবিবার (২২ নভেম্বর) সাঈদের মা সালেহা বেগমসহ আরো ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।আদালত সূত্র জানায়, সাক্ষ্য প্রদানকালে সাঈদের মা সালেহা বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে বক্তব্য রেখেছেন। আদালতে তিনি বলেছেন, ‘আবু সাঈদ আমার মেঝো ছেলে। ঘটনার আগের দিন অর্থাৎ গত ১০ মার্চ স্বামীসহ আমি, আমার বড় মেয়ে সাউদা মতিন (১২), ভিকটিম আবু সাঈদ (৯) ও ছোট ছেলে আবু সাফী (৫) আমার মায়ের বাসা ৭৩ এভারগ্রীন, ঝেরঝেরি পাড়ায় যাই। আমার ভাড়া করা বাসা বসুন্ধরা ৭৪/বি দর্জিবন্দ, রায়নগর থেকে আমার মায়ের ভাড়া করা বাসা ৭৩ এভারগ্রীন, ঝেরঝেরি পাড়ার দুরত্ব এক কিলোমিটারের কাছাকাছি। মূলত আমার প্রবাসী ভাই কবির দেশে আসার সুবাদে আমরা সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। রাতের খাবার শেষে আমার স্বামী মতিন মিয়া ছেলে আবু সাঈদকে নিয়ে নিজেদের বাসায় চলে যায়।’‘পরদিন যোহরের পর সাঈদের বাবা আমার মায়ের বাসায় এসে তাকে (সাঈদ) না দেখে সে কোথায় তা জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, সাঈদ ওইদিন (১১ মার্চ) সকাল ১১টায় দর্জিবন্দস্থ নিজ বাসা থেকে আমার মায়ের বাসা ঝেরঝেরি পাড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছে। এসময় আমি তাকে (মতিন মিয়া) জানাই, সাঈদ এখানে আসেনি।’আদালতে সাঈদের মা আরো বলেন, ‘এরপর আমরা সবাই সাঈদের খোঁজে বের হই। একপর্যায়ে জানতে পারি, সাঈদ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাসার পাশ্ববর্তী রাজিয়া ভেরাইটিজ স্টোর থেকে ১৮ টাকায় একটি আইসক্রিম ক্রয় করে। সন্ধ্যার পরও সাঈদের খোঁজ না পাওয়ায় আমরা মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করি এবং থানায় জিডি দায়ের করি। পরে মামলার আসামিরা ফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাইলে মামলা রুজু হয়। ১৪ মার্চ পুলিশ এবাদুর নামক এক কনস্টেবলকে গ্রেফতার করে। ওই কন্সটেবলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার ভাড়া করা বাসা ঝেরঝেরি পাড়া সবুজ ৩৭ এর তৃতীয় তলার সিঁড়ির কাছের কক্ষ থেকে আমার ছেলে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।’‘কনস্টেবল এবাদুর একসময় আমাদের সাথে রায়নগরে সাবলেট হিসাবে পরিবারসহ বাস করতো। আমার ছেলে-মেয়েরা তাকে মামা বলে ডাকতো।’
আদালত সূত্র জানায়, সাঈদের মা কান্নাজড়িত কন্ঠে তার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.