সংবাদ শিরোনাম
দোয়ারাবাজারে কেন্দ্র ফি’র নামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়  » «   তাহিরপুরে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে প্রধান শিক্ষকের টালবাহানা   » «   দোয়ারাবাজারে সরকারি ভাতা দেওয়ার নামে প্রতারণা, প্রতারককে জরিমানা  » «   মৌলভীবাজারের জুড়িতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ দুইজন গ্রেফতার  » «   দোয়ারাবাজারে বিদেশী মদের চালানসহ মাদক কারবারি আটক  » «   সুনামগঞ্জের তিন উপজেলার ১৫টি স্পটে চলছে সহশ্রাধিক অবৈধ ক্রাশার মেশিনের তান্ডব  » «   সুনামগঞ্জে পিতা ও কন্যার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের  » «   সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার  » «   সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার  » «   নবীগঞ্জে যুদ্বাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মিয়া আমাদের মধ্যে আর নেই! রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাপন  » «   জুড়ীতে ফেনসিডিল ও ইয়াবাসহ আটক ১  » «   ছাতকে আবুল হোসেনকে পরিকল্পিত হত্যা নাকি অন্য কারণ?প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা   » «   দোয়ারাবাজারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত   » «   তাহিরপুরে রাতের আঁধারে কৃষকের জমির ধান কেটে নিল প্রতিপক্ষের লাঠিয়াল বাহিনী   » «   ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে অ্যাম্বুলেন্স ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ আহত ৭, আশংখাজনক ভাবে ৫জনকে সিলেট প্রেরন  » «  

শিশু সাঈদ হত্যা: আদালতে যা বললেন মা সালেহা

3.jpegসিলেটপোস্ট রিপোর্ট :সিলেটে ৯ বছরের শিশু সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। গত ১৯ নভেম্বর আদালতে সাঈদের বাবা মতিন মিয়াসহ সাক্ষ্য দেন চারজন। রবিবার (২২ নভেম্বর) সাঈদের মা সালেহা বেগমসহ আরো ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।আদালত সূত্র জানায়, সাক্ষ্য প্রদানকালে সাঈদের মা সালেহা বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে বক্তব্য রেখেছেন। আদালতে তিনি বলেছেন, ‘আবু সাঈদ আমার মেঝো ছেলে। ঘটনার আগের দিন অর্থাৎ গত ১০ মার্চ স্বামীসহ আমি, আমার বড় মেয়ে সাউদা মতিন (১২), ভিকটিম আবু সাঈদ (৯) ও ছোট ছেলে আবু সাফী (৫) আমার মায়ের বাসা ৭৩ এভারগ্রীন, ঝেরঝেরি পাড়ায় যাই। আমার ভাড়া করা বাসা বসুন্ধরা ৭৪/বি দর্জিবন্দ, রায়নগর থেকে আমার মায়ের ভাড়া করা বাসা ৭৩ এভারগ্রীন, ঝেরঝেরি পাড়ার দুরত্ব এক কিলোমিটারের কাছাকাছি। মূলত আমার প্রবাসী ভাই কবির দেশে আসার সুবাদে আমরা সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। রাতের খাবার শেষে আমার স্বামী মতিন মিয়া ছেলে আবু সাঈদকে নিয়ে নিজেদের বাসায় চলে যায়।’‘পরদিন যোহরের পর সাঈদের বাবা আমার মায়ের বাসায় এসে তাকে (সাঈদ) না দেখে সে কোথায় তা জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, সাঈদ ওইদিন (১১ মার্চ) সকাল ১১টায় দর্জিবন্দস্থ নিজ বাসা থেকে আমার মায়ের বাসা ঝেরঝেরি পাড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছে। এসময় আমি তাকে (মতিন মিয়া) জানাই, সাঈদ এখানে আসেনি।’আদালতে সাঈদের মা আরো বলেন, ‘এরপর আমরা সবাই সাঈদের খোঁজে বের হই। একপর্যায়ে জানতে পারি, সাঈদ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাসার পাশ্ববর্তী রাজিয়া ভেরাইটিজ স্টোর থেকে ১৮ টাকায় একটি আইসক্রিম ক্রয় করে। সন্ধ্যার পরও সাঈদের খোঁজ না পাওয়ায় আমরা মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করি এবং থানায় জিডি দায়ের করি। পরে মামলার আসামিরা ফোনে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাইলে মামলা রুজু হয়। ১৪ মার্চ পুলিশ এবাদুর নামক এক কনস্টেবলকে গ্রেফতার করে। ওই কন্সটেবলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার ভাড়া করা বাসা ঝেরঝেরি পাড়া সবুজ ৩৭ এর তৃতীয় তলার সিঁড়ির কাছের কক্ষ থেকে আমার ছেলে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।’‘কনস্টেবল এবাদুর একসময় আমাদের সাথে রায়নগরে সাবলেট হিসাবে পরিবারসহ বাস করতো। আমার ছেলে-মেয়েরা তাকে মামা বলে ডাকতো।’
আদালত সূত্র জানায়, সাঈদের মা কান্নাজড়িত কন্ঠে তার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.