সংবাদ শিরোনাম
তৃতীয় দফা বন্যার মুখোমুখি সুনামগঞ্জের হাওরপাড়ের লাখ লাখ মানুষজন  » «   বন্যায়ও থেমে নেই ভারত থেকে অবৈধভাবে আসা চিনির চোরাচালান  » «   সিলেটে নতুন পুলিশ সুপার এর যোগদান  » «   র‌্যাব সদস্যরা দেশের যেকোন সংকটময় মূহুূর্তে সব সময়ই জনগনের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে -র‌্যাব মহাপরিচালক  » «   সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য একজন গানম্যান নিয়োগ পেলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   গুজব আতঙ্কে গোলাপগঞ্জে ছেলে ধরা সন্দেহে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ  » «   সুনামগঞ্জে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব উপলক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত  » «   কৃষকরা এ দেশের প্রাণ: প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী  » «   নবীগঞ্জের এক শিশু লেখা পড়া করে শিক্ষিত হতে চায়- টাকার অভাবে স্কুল ফাঁকি দিয়ে শাক- সবজি বিক্রয় করছে!  » «   এমএ হকের ৪র্থ মৃত্যুবাষির্কীতে মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল  » «   ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিদায় করা না হলে দেশ চরম অস্থিত্ব সংকটে পড়বে : কাইয়ুম চৌধুরী  » «   যৌতুক মামলায় নবীগঞ্জের বঙ্গবন্ধু একাডেমির শিক্ষক আবুল হাসান জেল হাজতে  » «   বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় নগর বিএনপি দোয়া মাহফিল অব্যাহত  » «   ওসমানীনগরে শশুর বাড়িতে প্রান গেল জামাতার  » «   দক্ষিণ সুরমায় বিআরটিএ এর অভিযান, ৫ চালককে জরিমানা  » «  

কেশরখালী নদী এখন সরু খাল

huuoফয়ছল আহমদ :সিলেটের কেশরখালী নদী এখন বিলীন হওয়ার উপক্রম। নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে এখন সরু খালে পরিণত হয়েছে। কোথাও কোথাও নদী দখল করে গড়ে উঠেছে সুরম্য অট্টালিকা। নদী তার স্বাভাবিক নাব্যতা হারিয়ে কোথাও কোথাও জ্বলাবদ্বতায় রূপ নিয়েছে। প্রশাসনের অসাধু কর্র্মকর্তাদের যোগসাজশে এলাকার প্রভাবশালীরা নদীটি দিন দিন ভরাট করে নিজেদের দখলে নিচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর শাখা নদী হচ্ছে কেশরখালী নদী। নদী স্থানীয় মোগলাবাজারের পাশ দিয়ে সুরমা হইতে কুশিয়ারায় গিয়ে মিলিত হয়েছে। কেশরখালী নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে স্থানীয় মোগলাবাজার। শতাব্দী প্রাচীন এ বাজারটিতে দুর দুরান্ত থেকে লোক জন রঙ বেরঙ্গের পাল উড়িয়ে নৌকা নিয়ে হাট বাজার করতে আসত। তখন মাঝি মাল্লাদের ভাটিয়ালী গানে  মুখরিত হত চারদিক। নদীর মধ্যে বর্ষা মৌসুমে আয়োজন করা হতো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। গ্রামের মানুষের প্রানের স্পন্দনে পুরাতন সুখ দুঃখ ভুলে মিলিত হতো। কিন্তু দিন দিন নদী ভরাটের কারনে এখন আর পাল তুলা নৌকা দেখা যায়না। শুকনো মৌসুমে নদীর বুক ফেটে চৌচির হয়ে গেলেও বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে নদীতে কিছু পানি দেখা যায়। কিন্তু সুরমা কুশিয়ারা থেকে কোন পানি প্রবাহিত হয়না। এতে দিন দিন নদী তার নাব্যতা হারিয়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কোথাও কোথাও নদীর দৈর্ঘ্য ৮/১০ ফুটে নেমে এসেছে।  আবার কোথাও কোথাও নদী ভরাট করে গড়ে উঠেছে বাড়ী, দালান কোঠা, অট্টালিকা। নদীকে কেন্দ্র করে মোগলাবাজার এলাকার যোবকরা ১৯৮৩ সালে গঠন করেন কেশরখালী স্পোর্টিং ক্লাব। ক্লাবের উদ্যোগে নৌকা বাইচ, ফুটবল, হাডুডু সহ বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হতো। এছাড়া নদীকে দখলের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন সময় ক্লাবের উদ্যোগে র‌্যালী, মানববন্ধনের মতো কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ক্লাবের সভাপতি মোঃ কয়েছ আহমদ বলেন, কেশরখালী নদী দিন দিন হারিয়ে গেলেও  প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলে নদীটি তার হারানো জৌলুস ফিরে পাবে বলে আমরা আসাবাদী। তিনি ক্লাবের উদ্যোগে শ্রীঘ্রই জেলাপ্রশাসক বরাবর নদী বাচানোর জন্য স্মারকলিপি দেবেন বলে এই প্রতিবেদকে জানান। দক্ষিন সুরমা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোঃ এমাদ উদ্দিন নাসিরী জানান, কেশরখালী নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাওয়ার কারনে নদী থেকে উৎপত্তি সরু সরু খাল ও বিলিন হয়ে যাচ্ছে। এতে পরিবেশের মারাতœক অবনতি ঘটছে। প্রভাবশালীরা প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব খাল ও নদী ভরাট করছে বলে তিনি জানান।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.