সংবাদ শিরোনাম
সিলেটে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী যারা  » «   শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে পারলে তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জল হবে-প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান  » «   নবীগঞ্জে বাস- সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১-আহত ৫  » «   নবীগঞ্জে আগুনে পুড়ে ১টি বসত ঘর ছাই! প্রায় ২ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি  » «   সিলেটে হিটস্ট্রোকে শফিকুল ইসলাম নামে এক পথচারি মারা গেছেন  » «   সাংবাদিকের উপর হামলা: চেয়ারম্যান কারাগারে  » «   সিলেটে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ  » «   সুনামগঞ্জের ডলুরায় ব্যবসায়ীর উপর হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তিন জন  » «   তিন দিনের সফরে সিলেট আসছেন প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী  » «   সিসিকের হোল্ডিং ট্যাক্স সাধারণ মানুষের উপর ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’-সিলেট জেলা বিএনপির   » «   প্রেমের টানে চলে আসা দুই সন্তানের জননী খাসিয়া নারীকে ভারতে ফেরত  » «   সিলেটে বিএনপির আরো ১৫ নেতা-নেত্রী বহিস্কার  » «   হুট করেই ছুটি বাতিল করায় পক্ষে বিপক্ষে শনিবারের ক্লাস নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।  » «   মহান মে দিবসে সিলেট সদর উপজেলা বিল্ডিং নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের র‌্যালি  » «   উত্তরপূর্ব পত্রিকার কম্পিউটার ইনচার্জে রলাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের  » «  

টাকার অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে শঙ্কায় সুনামগঞ্জের সাজিদা!

2.jpegসিলেটপোস্টরিপোর্ট:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় তাঁর মেধাক্রম ১৩৮১। ভর্তির হওয়ার শেষ তারিখ ১ ডিসেম্বর। কিন্তু টাকার অভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সুনামগঞ্জের ধরমপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের সাজিদা আক্তারের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন।দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মেয়েটি এবার ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন। ভর্তির জন্য তাঁর প্রয়োজন ১১ হাজার টাকা। কিন্তু সাজিদার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না।সাজিদাদের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, সহায়সম্বল বলতে ভিটেটুকুই আছে। একটি টিনের ছাপরাঘর সেটি। ঘরের বেড়া দেওয়া রয়েছে পাটকাঠি দিয়ে। দুটি চৌকি ঘরের ভেতরে। তার একটিতে বইপত্র সাজানো। ওই ঘরের এক কোণে বসে এত দিন পড়াশোনা করেছেন সাজিদা।সাজিদার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সাজিদা পঞ্চম। বাবা আবু তাহের পেশায় দিনমজুর। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি এখন আর কাজে যেতে পারেন না। মা রাজিয়া খাতুন গৃহিণী। বড় ভাই পাঁচ বছর আগে বিয়ে করে আলাদা সংসার করেছেন। মেজো ভাই মো. আজিজুলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার আয়ে এখন টেনেটুনে চলছে ওদের সংসার। আর ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন জনতা মডেল উচ্চবিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে। টাকা না থাকায় বিদ্যালয়ে পড়ার সময় বাড়ি থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে সদরে হেঁটে যাওয়া-আসা করতে হতো সাজিদাকে। টিফিনে খেত এক গ্লাস পানি। এভাবে পড়াশোনা করেই ২০১৩ সালে এসএসসিতে সদর উপজেলার জনতা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পায় সে। এরপর ভর্তি হয় ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজে। সেখান থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পান সাজিদা।সাজিদার বাবা আবু তাহের বলেন, ‘আমরা নিজেরাই তো ভালা কইর্যাচ খাইতামই হারি না। হেরে আর ঢাকা ভার্সিটিত ভর্তি করাইয়াম ক্যামনে? হুনছি অহন ভর্তি অইতেই ১১ হাজার টেহা লাগে। অত টেহা আমরা কই ফাইয়াম।’সাজিদার স্বপ্ন একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার। সাজিদা বলেন, ‘দুই চোখে অন্ধকার দেখছি। দরিদ্র মা-বাবার পক্ষে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সামর্থ্য নেই। কীভাবে যে কী হবে!’ধরমপাশা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল করিম বলেন, সাজিদা অত্যন্ত মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে সে ভালো করবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.