সংবাদ শিরোনাম
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানবাধিকার ও অনুসন্ধান কল্যাণ সোসাইটি’র সভাপতি শেখ লুৎফুর  » «   ওসমানীনগরে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে ২শতাধিক বাসিন্দা উপজেলা প্রশাসনের তালিকায় মাত্র ৪৩জন  » «   ওসমানীনগরে কুশিয়ারা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ঝুঁকিতে ড্রাইক ও গ্রাম  » «   সিলেটের বিভিন্ন স্থান থেকে চোরাই মোবাইল সিন্ডিকেটের ৬ জন সদস্য র‌্যাব-৯ এর হাতে গ্রেফতার  » «   করিম উল্লাহ মার্কেট থেকে বিপুল পরিমাণ মোবাইলসহ ৬ জন গ্রেফতার  » «   ঈদকে সামনে রেখে নবীগঞ্জে জমে উঠেছে জমজমাট পশুর হাট!  » «   শিশুদের সুপ্ত মেধা বিকাশে প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিকল্প নেই: শেখ রাসেল হাসান  » «   মেজরটিলায় টিলা ধসে হতাহতের ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির শোক  » «   দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে শহীদ জিয়া দূরদর্শী অবদান রেখেছিলেন-অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ  » «   ডামি সরকারের ডামি বাজেট জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে-বিএনপি  » «   গোয়ালাবাজার থেকে খাদিম পুর রোডের রাস্তার দুই পাশে গাছ হেলে পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা  » «   আলোকিত দেশ গড়তে শিক্ষার্থীদেরকে আদর্শবান হতে হবে: প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী  » «   মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেট মহানগর বিএনপির খাদ্য বিতরণ  » «   ইতিহাস বিকৃত করে মানুষের হৃদয় থেকে শহীদ জিয়ার নাম মুছে ফেলা যাবে না  » «   নবীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে নাশকতা ও হয়রানির শেষ কোথায়? সচেতন মহলের প্রশ্ন  » «  

সিলেটের কানাইঘাটে ব্যবসায়ী হত্যা: একযুগ পর দুই সহোদরের যাবজ্জীবন

7.jpeg সিলেটপোস্টরিপোর্ট:সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লোভা নদীর তিন গাঙ্গের মুখে পাথর ব্যবসায়ী জহির উদ্দিনকে হত্যার দায়ে দুই সহোদরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড, বিশ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় প্রদান করেন।যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছেন কানইঘাট উপজেলার সাউদ গ্রামের বড়হুনার ছেলে জাহাঙ্গীর ও আলমগীর। তারা উভয়ই কারান্তরীণ রয়েছেন।আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১৯ অক্টোবর নদী থেকে পাথর বোঝাই নৌকা নিয়ে আসছিলেন কানাইঘাট উপজেলার জুলাই গ্রামের মৃত নুর উদ্দিনের ছেলে জামিল উদ্দিন ও জহির উদ্দিন। নৌকা নিয়ে লোভা নদীর তিন গাঙ্গের মুখে পৌঁছার পর জাহাঙ্গীর ও আলমগীর পাথর কিনতে দরদাম করেন। কিন্তু দরদামে না মতৈক্য না হওয়ায় জাহাঙ্গীর ও আলমগীর আরো কয়েকজনকে সাথে পাথরভর্তি নৌকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে।এসময় জামিল ও জহির বাধা দিলে জহিরের মাথায় আঘাত করা হয়। তিনি অজ্ঞান হয়ে পানিতে পড়ে যাওয়ার পর পাথর দিয়ে ঢিল মারা হয় তাকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।এ ঘটনায় তার ভাই জামিল উদ্দিন বাদি হয়ে দুইজনের নামোল্লেখ করে কানাইঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি মো. আবদুস সালাম অভিযোগপত্রে জাহাঙ্গীর, আলমগীর, আব্বাছ উদ্দিন, মুস্তাক উদ্দিন, ফায়াজ উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে অভিযেগপত্র দাখিল করেন। আদালত তা আমলে নিয়ে ২০০৫ সালের ২৬ জুলাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার কাজ শুরু করেন। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে অবশেষে আজ রবিবার রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে জাহাঙ্গীর ও আলমগীরকে যাবজ্জীবন এবং অপর তিনজনকে খালাস প্রদান করা হয়।রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বাবুল ও আসামী পক্ষে ছিলেন এ্যাডভোকেট সৈয়দ মহসিন আলী।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়াার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by:

.